উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ভারত ও আমেরিকার মধ্যে নতুন বাণিজ্য চুক্তি (India-US commerce deal) ও শুল্ক হ্রাস নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফোনালাপের পরেই উত্তপ্ত ভারতের রাজনীতি। এই ইস্যুতে মোদি সরকারকে তীব্র আক্রমণ শানাল কংগ্রেস (Congress)। মোদি সরকারের বিদেশনীতি ও তথ্য আদান-প্রদানের ধরণকে বিঁধে জয়রাম রমেশ নতুন শব্দবন্ধ ব্যবহার করেছেন— ‘ট্রাম্প-নির্ভরতা’ (Trump-nirbharta)।
সোমবার প্রধানমন্ত্রী মোদি ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মধ্যে ফোনালাপের পর আমেরিকা ঘোষণা করে, ভারতীয় পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী টুইট করলেও, কংগ্রেসের অভিযোগ— দেশের গুরুত্বপূর্ণ খবর ভারতবাসীর আগে বিদেশ থেকে জানতে হচ্ছে।
প্রবীণ কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ (Jairam Ramesh) এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্টের কথোপকথনের খবর ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের বদলে প্রথম জানান ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর। তিনি আরও যোগ করেন, ‘ভারত সরকার কী পদক্ষেপ করছে, তা এখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বা তাঁর প্রতিনিধিদের কাছ থেকে জানতে হচ্ছে।’ এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতেই তিনি ‘আত্মনির্ভরতা’র বদলে ‘ট্রাম্প-নির্ভরতা’ শব্দটি ব্যবহার করে কটাক্ষ করেন।
उन्होंने ऑपरेशन सिंदूर को रोकने की घोषणा वॉशिंगटन, डीसी से की।
उन्होंने वॉशिंगटन से ही रूस और वेनेजुएला से भारत की तेल खरीद को लेकर अपडेट की घोषणा की।
अब उन्होंने भारत-अमेरिका व्यापार समझौते की घोषणा भी वॉशिंगटन से कर दी है, जिसके पूरे विवरण का अभी इंतज़ार किया जा रहा है।…
— Jairam Ramesh (@Jairam_Ramesh) February 2, 2026
অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে মোদির সঙ্গে নিজের ছবি শেয়ার করে তাঁকে ‘ঘনিষ্ঠ বন্ধু’ হিসেবে বর্ণনা করেন। এই চুক্তির ফলে দু’দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী মোদিও এই সিদ্ধান্তের জন্য ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘বিশ্বের দুই বৃহত্তম গণতন্ত্রের এই সহযোগিতা বিশ্বশান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত জরুরি।’
তবে বিরোধীদের মূল আপত্তির জায়গা হল খবরের ক্রম। তাদের দাবি, ভারতের স্বার্থসংশ্লিষ্ট এত বড় একটি বিষয়ে নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগেই কেন ওয়াশিংটন থেকে তথ্য প্রকাশ্যে এল? এই নিয়ে মোদি সরকারের গোপনীয়তা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস।
