Cockroach Janata Social gathering | ‘জাতীয় সুরক্ষায় বিপজ্জনক’ ককরোচ জনতা পার্টি! এক্স হ্যান্ডেল বন্ধ নিয়ে তোপ মহুয়া-শশীর

Cockroach Janata Social gathering | ‘জাতীয় সুরক্ষায় বিপজ্জনক’ ককরোচ জনতা পার্টি! এক্স হ্যান্ডেল বন্ধ নিয়ে তোপ মহুয়া-শশীর

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: দেশের রাজনৈতিক পরিসরে বর্তমানে সবচেয়ে চর্চিত নাম ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (Cockroach Janata Social gathering)। খাতায়-কলমে কোনো রাজনৈতিক দল না হয়েও, সোশ্যাল মিডিয়ায় অভাবনীয় জনপ্রিয়তায় দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকেও পিছনে ফেলে দিয়েছে এই প্রতীকী প্ল্যাটফর্ম। আর এই ‘পার্টি’-র এক্স (X) হ্যান্ডেল বন্ধ করে দেওয়াকে কেন্দ্র করে এবার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra) এবং কংগ্রেসের শশী থারুর (Shashi Tharoor)।

দেশের প্রধান বিচারপতির ‘কটাক্ষমূলক’ মন্তব্যের প্রতিবাদে সোশ্যাল মিডিয়ায় জন্ম হয় এই ককরোচ জনতা পার্টির। কিন্তু এর জনপ্রিয়তার গ্রাফ যেভাবে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, তাতেই বিপত্তি। ইনস্টাগ্রামে বিজেপির ফলোয়ার সংখ্যাকে অনায়াসেই টপকে যায় এই প্রতীকী দলটি। এরপরই রহস্যজনকভাবে এক্স থেকে উধাও হয়ে যায় তাদের অফিসিয়াল হ্যান্ডেলটি। সূত্রের খবর, কেন্দ্রের নির্দেশে এবং ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর (IB) আপত্তিতেই এই অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করা হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দাবি, এই অ্যাকাউন্টটি নাকি ‘জাতীয় সুরক্ষার জন্য বিপজ্জনক’।

এই ঘটনার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন মহুয়া মৈত্র ও শশী থারুর। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে তীব্র আক্রমণ করে লেখেন, “আমাদের দেশের সরকার যুবসমাজকে এতটাই ভয় পায় যে একটা অনলাইন আন্দোলনকেও সহ্য করতে পারছে না। বিরোধী দলগুলোর কাজ কতটা কঠিন, তা এই ঘটনা থেকেই স্পষ্ট।”

একই সুর শোনা গিয়েছে প্রবীণ কংগ্রেস নেতা শশী থারুরের গলাতেও। তাঁর কথায়, “যুবসমাজের হতাশা ফুটে উঠছে ককরোচ জনতা পার্টির জনপ্রিয়তায়। তাদের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়াটা বিপর্যয়। সিজেপি (CJP)-র অ্যাকাউন্ট সচল রাখা উচিত।”

অ্যাকাউন্ট বন্ধের বিষয়ে ক্ষুব্ধ দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক। তাঁর দাবি, এই প্ল্যাটফর্ম থেকে কোনো অন্যায় বা উসকানিমূলক মন্তব্য করা হয়নি। কেবলমাত্র বিভিন্ন সামাজিক ইস্যু নিয়ে আলোচনার মঞ্চ হিসেবেই ব্যবহৃত হচ্ছিল এটি। তাহলে কেন জাতীয় সুরক্ষার দোহাই দিয়ে এই কণ্ঠরোধ করা হলো? সেই প্রশ্নের কোনো সন্তোষজনক উত্তর মেলেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, ককরোচ জনতা পার্টির এই উত্থান বুঝিয়ে দিচ্ছে, দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মতপ্রকাশের এক নতুন ও সাহসী প্ল্যাটফর্মের চাহিদা বাড়ছে। কিন্তু সেই স্বর যখন ক্ষমতার করিডোরে অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তখনই ‘জাতীয় নিরাপত্তা’র মতো ভারী শব্দবন্ধ ব্যবহার করে তা দমন করার অভিযোগ উঠছে। এই ঘটনায় বাকস্বাধীনতার পরিধি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে। আপাতত সিজেপি-র অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই এখন সোশ্যাল মিডিয়া থেকে রাজনৈতিক মহলে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *