উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক : বিশেষ নিবিড় সংশোধনী (এসআইআর)-র কাজের চাপে বিএলও (বুথ লেভেল অফিসার) ‘আত্মঘাতী’ হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে নদিয়ায়। মৃতের নাম রিংকু তরফদার (৫৪)। কৃষ্ণনগরের ষষ্ঠীতলা এলাকার বাসিন্দা ওই প্রৌঢ়া পার্শ্বশিক্ষিকা ছিলেন। শনিবার সকালে তাঁর ফাঁস লাগানো দেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শনিবার এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে মমতা লিখেছেন, ‘কৃষ্ণনগরের চাপড়ার ২০১ নম্বর বুথের বিএলও, পার্শ্বশিক্ষিকা রিংকু তরফদারের মৃত্যুর খবরে আমি অত্যন্ত মর্মাহত। এসআইআর-এর কাজে চাপের কথা তিনি সুইসাইড নোটে লিখে গিয়েছেন।’ মমতার প্রশ্ন, ‘আর কত জনকে আমাদের হারাতে হবে? এসআইআর-এর জন্য আর কত মৃত্যু দেখতে হবে? এই প্রসেসের জন্য আর কত মৃতদেহ গুনতে হবে? বিষয়টি এবার অত্যন্ত গুরুতর হয়ে উঠেছে।’
এদিন সকালে বাড়ি থেকে রিংকু তরফদারের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। তিনি চাপা বাঙালঝি স্বামী বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দিরের পার্শ্বশিক্ষিকা ছিলেন। পুলিশ সূত্রের খবর, ঘটনাস্থল থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়েছে। রিংকুর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে চেয়ে নদিয়ার জেলাশাসকের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। কয়েকদিন আগে জলপাইগুড়ির মালবাজারে শান্তিমুনি এক্কা নামে এক বিএলও-র ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। সেখানেও অতিরিক্ত কাজের চাপের পাশাপাশি ভাষাগত সমস্যার অভিযোগ তুলেছিলেন পরিবারের লোকেরা।
