Closed Chemical Manufacturing unit Fireplace | চিৎপুরে বন্ধ রাসায়নিক কারখানায় বিধ্বংসী আগুন! ঘিঞ্জি এলাকায় আতঙ্ক, গ্যাস কাটার দিয়ে দরজা কেটে চলছে উদ্ধারকাজ

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ রবিবার সকালে কলকাতার চিৎপুরের একটি বন্ধ রাসায়নিক কারখানায় (Closed Chemical Manufacturing unit Fireplace) হঠাৎই আগুন লাগাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল গোটা এলাকায়। কারখানাটিতে প্রচুর পরিমাণে রাসায়নিক পদার্থ মজুত থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের ১০টি ইঞ্জিন। পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর যৌথ উদ্যোগে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন আয়ত্তে আনার কাজ শুরু হয়। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর মেলেনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ চিৎপুরের ওই বন্ধ রাসায়নিক কারখানা থেকে প্রথমে ধোঁয়া বের হতে দেখতে পান এলাকাবাসীরা। কারখানাটি দোতলার জানলা দিয়ে ঘন কালো ধোঁয়া বের হতে দেখে সঙ্গে সঙ্গে দমকলে খবর দেওয়া হয়। যেহেতু কারখানাটি বন্ধ ছিল এবং ভিতরে প্রচুর দাহ্য রাসায়নিক মজুত ছিল, তাই আগুন লাগার পরই তা তীব্র আকার ধারণ করে। আশপাশে আরও বেশ কয়েকটি কারখানা থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ার প্রবল ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল।

ঘটনাস্থলে পৌঁছে দমকলকর্মীরা প্রথমে বাইরে থেকে হোসপাইপের মাধ্যমে জল দেওয়ার কাজ শুরু করেন। কারখানার যে দরজাগুলি খোলা সম্ভব ছিল, সেগুলি দিয়ে জল দেওয়া হলেও ভিতরে রাসায়নিকের উপস্থিতির কারণে ধোঁয়ার তীব্রতা আরও বাড়তে থাকে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা গ্যাস কাটার দিয়ে কারখানার বন্ধ লোহার দরজা কেটে ফেলেন। এরপর ভেতরে ঢুকে আগুনের উৎসের কাছাকাছি পৌঁছোন দমকলকর্মীরা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পুরো পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন স্থানীয় বিধায়ক রিতেশ তিওয়ারি। পাশাপাশি বিশাল পুলিশ বাহিনীও গোটা এলাকা ঘিরে রেখে নিরাপত্তার বিষয়টি দেখভাল করছে।

দমকলের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, আগুন যাতে পার্শ্ববর্তী এলাকায় বা অন্য কারখানায় ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সেটাই এখন প্রধান লক্ষ্য। কারখানার ভেতরে ধোঁয়ার তীব্রতা কমলে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে এসেছে কি না এবং আর কোনো উৎস রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট হবে। উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগেই কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকার একটি হোটেলে বিধ্বংসী আগুনে ৯ জনের মৃত্যুর মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই চিৎপুরের এই রাসায়নিক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শহরের নিরাপত্তা ও ফায়ার সেফটি ব্যবস্থা নিয়ে ফের একবার বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হলো।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *