উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: সোমবার ভারতের ৫৩তম প্রধান বিচারপতি (Chief Justice of India) হিসেবে শপথ নিলেন বিচারপতি সূর্য কান্ত (Justice Surya Kant)। দেশের বিচার ব্যবস্থার সর্বোচ্চ পদে প্রায় ১৫ মাস কাজ করবেন তিনি।
এদিন রাষ্ট্রপতি ভবনে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপরাজ্যপাল সি পি রাধাকৃষ্ণণ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শা, রাজ্যসভার দলনেতা তথা কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা সহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অন্য মন্ত্রীরা। তাঁদের সামনে বিচারপতি সূর্য কান্তকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। হিন্দিতে শপথ নিয়েছেন তিনি। এছাড়াও এদিন শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সদ্য অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাই (Justice BR Gavai)। শপথগ্রহণের পর পর মা, বাবা ও পরিবারের গুরুজনদের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন নতুন প্রধান বিচারপতি।
Delhi: Justice Surya Kant takes oath because the Chief Justice of India, at Rashtrapati Bhavan. President Droupadi Murmu administers the oath to him.
(Pics: DD Information) pic.twitter.com/aOSQZx8SzA
— ANI (@ANI) November 24, 2025
রবিবার অবসর নিয়েছেন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি গাভাই। তাঁর জায়গায় সোমবার শপথ নিলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। ২০২৭ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই পদে থাকবেন তিনি। বিচারপতি হিসেবে দুই দশকের কর্মজীবনে অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন বিচারপতি সূর্য কান্ত। তাঁর বিভিন্ন রায়ের মধ্যে রয়েছে কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা বাতিল থেকে শুরু করে পেগাসাস সফটওয়ার মামলা।
১৯৬২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি হরিয়ানায় জন্ম হয় বিচারপতি সূর্য কান্তর। ১৯৮৪ সালে হিসারে তাঁর আইনি যাত্রা শুরু হয়। এরপর পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টের আইনজীবী হিসেবে কাজের জন্য চণ্ডীগড়ে চলে আসেন তিনি। ২০০০ সালের জুলাই মাসে হরিয়ানার সর্বকনিষ্ঠ অ্যাডভোকেট জেনারেল নিযুক্ত হন। ২০০১ সালে তিনি সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসেবে মনোনীত হন। ২০০৪ সালের ৯ জানুয়ারী পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিযুক্ত হন তিনি। পরবর্তীকালে ২০১৮ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৯ সালের মে মাস পর্যন্ত হিমাচল প্রদেশ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন। এরপর ২০১৯ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হন।
