চ্যাংরাবান্ধা: স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ থেকে বেশ কিছু পণ্য আমদানির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ফলে এক রাতের মধ্যেই বদলে গিয়েছে সীমান্তের ছবি। চ্যাংরাবান্ধা আন্তর্জাতিক স্থলবন্দরের মাধ্যমে সুতির পোশাক, প্লাস্টিকের সামগ্রী, ফল, বিভিন্ন রকম প্রক্রিয়াজাত খাবার, ফলের রস আমদানি করত ভারত। এক রাতের নোটিশে রবিবার থেকে এই সকল পণ্য আমদানি বন্ধ। এই সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়েছে সীমান্তের দুই পাড়েই। বাংলাদেশ থেকে ভারতবর্ষে নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকা অন্যান্য পণ্য নিয়ে আসা চালকদের কথাতেই স্পষ্ট যে এভাবে আমদানি বন্ধ হলে তাদের পেটে টান পড়বে। এখনও পণ্যবোঝাই বহু ট্রাক বাংলাদেশে দাঁড়িয়ে রয়েছে বলে জানান তাঁরা………।
অন্যদিকে আবার ভারতবর্ষের শ্রমিকদের মধ্যেও কিছুটা প্রভাব ফেলেছে এই বিষয়টি। শ্রমিকদের রুজিরুটি চলে সীমান্ত বাণিজ্যের মাধ্যমেই। আমদানি বাণিজ্য বন্ধ হয়ে গেলে তাদের কর্মক্ষেত্র প্রভাব পড়বে। এদিন বাংলাদেশে থেকে ভারতে মোট ৪৩ ট্রাক পণ্য আমদানি করা হয়েছে। ভারত থেকেও পাথর ও ওয়াক্স সহ মোট ৭৬ ট্রাক পণ্য রপ্তানি করা হয়। শ্রমিকদের সমস্যার বিষয়টি নিয়ে চ্যাংরাবান্ধা বাজারে মিছিল করে আইএনটিইউসি। সংগঠনের মেখলিগঞ্জ ব্লক সভাপতি জাকির হোসেন দেশের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও শ্রমিকদের স্বার্থও দেখার দাবি জানান। এদিকে চ্যাংরাবান্ধা এক্সপোর্টাস এসোসিয়েশন সম্পাদক উত্তম সরকার বলেন, ‘দেশের স্বার্থ সবার আগে। ভারত সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাকে আমরা সমর্থন জানাই।’
