Buxa Tiger Reserve Undertaking | বক্সায় কি ফিরবে বাঘ? চালু হওয়ার আশায় রাজ্য-কেন্দ্র সমন্বয়ের অভাবে বন্ধ হওয়া প্রকল্প

Buxa Tiger Reserve Undertaking | বক্সায় কি ফিরবে বাঘ? চালু হওয়ার আশায় রাজ্য-কেন্দ্র সমন্বয়ের অভাবে বন্ধ হওয়া প্রকল্প

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


অভিজিৎ ঘোষ, আলিপুরদুয়ার: নামে টাইগার রিজার্ভ (Buxa Tiger Reserve Undertaking), তবে সেখানে স্থায়ী বাঘের দেখা নেই। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে কালেভদ্রে একটা করে ‘অতিথি’ বাঘের দেখা মেলে। তবে সেটাও বিশেষ করে শীতকালে। তবে এখন যে বক্সা টাইগার রিজার্ভে বাঘের স্থায়ী অবস্থান নেই সেটা বহুদিন ধরে স্পষ্ট। যদিও দীর্ঘদিন ধরে বাঘের বসতি তৈরির কাজ করছে বন দপ্তর। অসম থেকে বাঘ আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এমনকি কয়েকটি বনবস্তি অন্যত্র সরিয়ে বাঘের জন্য স্থায়ী পরিবেশ তৈরির কথাও হয়েছে ইতিমধ্যে। বারবার সেই প্রকল্প থমকে গিয়েছে। এব্যাপারে নানা বাধার মধ্যে অন্যতম বড় কারণ হিসাবে তুলে ধরা হয়েছিল রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব। বক্সা টাইগার রিজার্ভের বেশিরভাগ প্রকল্প চলে কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে। তবে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহমত প্রয়োজন হয়। তা নিয়েই এতদিন ধোঁয়াশা ছিল। তবে এবার প্রশ্ন উঠছে, রাজ্যে সরকার বদলের পর টাইগার রিজার্ভে কি বাঘ ফিরবে?

তবে পরিকল্পনার বাস্তবায়ন কতটা হবে তা নিয়ে এখনও পরিষ্কার করে কিছু বলতে পারছেন না বনকর্তারা। এদিন যেমন এনিয়ে বক্সা টাইগার রিজার্ভের ক্ষেত্র অধিকর্তা কুমার বিমল বলেন, ‘কী কী হতে চলেছে এখনও কিছু বলা যাচ্ছে না। আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।’ বনকর্তাদের কিছু না বলার অন্যতম কারণ অবশ্য এই যে, এখনও রাজ্য সরকারের নতুন বনমন্ত্রী ঘোষণা হয়নি। কেউ দপ্তরের দায়িত্ব নিলে তাঁর কাছে বিভিন্ন বিষয় বনকর্তারা তুলে ধরতে পারবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

বক্সা টাইগার রিজার্ভে শেষ কয়েক বছরে বাঘের দেখা পাওয়া গিয়েছে বিক্ষিপ্তভাবে। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বন দপ্তরের ট্র্যাপ ক্যামেরায় বাঘের ছবি ধরা পড়ে। তবে সেটা যে পরিযায়ী বাঘ ছিল সেটাও পরিষ্কার হয়। তিন-চারদিন থেকেই বাঘ বক্সা ছাড়ে। তবে এলাকায় বাঘের পরিবেশ রয়েছে তার প্রমাণ পেয়ে খুশি হয়েছিলেন বনকর্তারা। এদিকে, বক্সার জঙ্গলে হরিণ প্রজননকেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এছাড়াও ভুটিয়াবস্তি ও গাঙ্গুটিয়াবস্তির মতো বনবস্তিগুলিকে বনছায়া গ্রামে স্থানান্তরিত করা হয় টাইগার রিজার্ভ আরও সংরক্ষণ করতে। এছাড়াও আরও ১৫টি গ্রাম স্থানান্তরিত করার পরিকল্পনা হলেও এর প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন থেকে ঝুলে।

বনবস্তির যেসব বাসিন্দা স্থানান্তরিত হতে চান তাঁরা বন দপ্তরের কাছে বিষয়টি জানিয়েছিলেন। আবার কয়েকজনের আপত্তিও ছিল। তবে বন দপ্তর এসব নিয়ে কয়েকদিন আলোচনা করলেও বিষয়টি আবার শীতঘুমে চলে গিয়েছে। এবার ডাবল ইঞ্জিন সরকার কি সেগুলি নিয়ে ভাববে? সেটাই প্রশ্ন। এদিন এই নিয়ে আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar) পরিবেশকর্মী শিবুন ভৌমিক বলেন, ‘বক্সা টাইগার রিজার্ভে এখন বাঘ নেই। একসময় এখানে প্রচুর বাঘ ছিল। পুরোনো ঐতিহ্য ফেরাতে পরিকল্পনাগুলির বাস্তবায়ন হলে তো ভালো।’ আরেক পরিবেশকর্মী ত্রিদিবেশ তালুকদারের মতে, কেন্দ্র ও রাজ্য যৌথভাবে বিষয়টি দেখতে পারে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *