উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে (Baruipur) বিজেপি কর্মী বাপি প্রামাণিক খুনের (BJP Employee Homicide) ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ (Arrested)। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন বিজেপি থেকে সাসপেন্ড হওয়া স্থানীয় নেতা সুজন মণ্ডল। এছাড়া ধৃত বাকি তিনজন হলেন কৃষ্ণা মণ্ডল, কনক মণ্ডল এবং অনিল নাইয়া।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে খবর, গত রবিবার রাতে বারুইপুরের উত্তর ট্যাঙ্গারবেড়িয়ার একটি স্থানীয় দুর্গাপুজো কমিটির নিয়ন্ত্রণ ও দখল নেওয়াকে কেন্দ্র করে গ্রামের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে তীব্র বিবাদ ও মারপিট শুরু হয়। ওই রাতেই বাপি প্রামাণিককে ফোন করে ডেকে নিয়ে গিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। নিহতের পরিবারের দাবি, বাপির স্ত্রীর চোখের সামনেই এই নৃশংস হামলা চালানো হয়।
ঘটনার পর থেকেই পরিবারের আঙুল ছিল বিজেপির সাসপেন্ডেড নেতা সুজন মণ্ডলের দিকে। পরিবারের অভিযোগ, সুজনের পরিকল্পনাতেই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সংঘবদ্ধভাবে এই হামলা চালিয়েছে। রবিবার রাতের এই ঘটনার পর বারুইপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। তদন্তে নেমে পুলিশ সোমবার তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। পরবর্তীতে সংগৃহীত তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে সুজন মণ্ডল সহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডে কার কী ভূমিকা ছিল এবং এর নেপথ্যে অন্য কোনও গভীর কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
এদিকে এই ঘটনার অনেক আগেই সুজন মণ্ডলকে দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে বিজেপি। বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য তথা প্রাক্তন জেলা সভাপতি উত্তম কর স্পষ্ট বলেন, ‘এই খুনের নেপথ্যে তৃণমূল-আশ্রিত দুষ্কৃতীরা রয়েছে। যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, সেই নেতাকে বেশ কিছুদিন আগেই দল সাসপেন্ড করেছে।’

