বিহারে অন্ধকার রাস্তায় এক কিশোরীর শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিন জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। পাশাপাশি, ঘটনার তদন্তে ইতিমধ্যেই গঠন করা হয়েছে সিট। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে চলছে তল্লাশি। গোটা ঘটনার কড়া নিন্দা জানিয়েছেন বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
গত শনিবার জামুইয়ের এক স্থানীয় স্কুলের দুই পড়ুয়া সন্ধ্যায় কোচিং শেষে মাদওয়া পাহাড়ে বেড়াতে গিয়েছিল। ফেরার পথে তাঁদের পথ আগলে দাঁড়ায় কয়েকজন দুষ্কৃতী। বাধ্য হয়ে স্কুটার থামাতে বাধ্য হয় ওই যুগল। শুরু হয় নির্যাতন। প্রথমে গালাগালি। এরপর শারীরিক হেনস্তা। পুরোটাই ক্যামেরায় বন্দি করে রাখে ওই দলেরই একজন। সেই ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই হইচই পড়ে যায় (যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল)। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, কিশোরীকে ঘিরে ধরে অশালীন আচরণ করছে অভিযুক্তরা। তার নাম, ঠিকানাও জিজ্ঞাসা করে তারা। শুধু তাই নয়, অশালীনভাবে স্পর্শও করা হয় কিশোরীকে। এরই মাঝে অভিযুক্তদের মধ্যে একজন কিশোরীকে তুলে নিয়ে রাস্তার অন্য প্রান্তে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টাও করেন। রেহাই পায়নি কিশোরীর বন্ধুও। বেধড়ক মারধর করা হয় তাঁকে। গোটা ঘটনাটিকে ঘিরে নিন্দার ঝড় উঠেছে। প্রশ্নের মুখে পড়েছে বিহারের নারী নিরাপত্তা এবং আইন-শৃঙ্খলা।
আরও পড়ুন:
The video from Bihar is gut-wrenching. Stunning. And truthfully, it makes me very, very offended.
Those that took the legislation into their very own palms within the identify of “ethical policing” should be held accountable by the police and the legislation. No society can enable mobs to resolve who deserves dignity,…
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) September 21, 2026
জামুইয়ের ওই ঘটনার ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তৎপর হয় পুলিশ। সোমবার বিহার পুলিশের এডিজি কে এস অনুপম জানিয়েছেন, ভারতীয় ন্যায় সংহিতার সংশ্লিষ্ট ধারা এবং পকসো আইনের ধারায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। দোষীদের কড়া শাস্তি হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে, মমতা এই ঘটনার কড়া নিন্দা জানিয়ে তাঁর এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করেছেন। লিখেছেন, ‘বিহারের ভিডিওটি হৃদয়বিদারক। আমি স্তম্ভিত এবং ক্ষুব্ধ। যারা নীতি পুলিশের নামে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়েছে, তাদের শাস্তি পেতে হবে। সমাজে এমন ঘটনা বরদাস্ত নয়।’ তিনি আরও লেখেন, ‘সেই ছোট্ট শিশুদের বলছি – আমি দুঃখিত। আমি তোমাদের কাছে ক্ষমা চাইছি। কারণ, কোনও না কোনও ক্ষেত্রে, দেশ হিসাবে আমরা তোমাদের হতাশ করেছি। আমরা তোমাদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়েছি।’
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
