উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: খোদ মুখ্যমন্ত্রীর ‘বিহার দর্শন’ প্রকল্পের অধীনে স্কুল পড়ুয়াদের নিয়ে শিক্ষামূলক ভ্রমণে গিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু অভিভাবকের গুরুদায়িত্ব পালনের বদলে নেশায় চুর হয়ে শ্রীঘরে ঠাঁই হল বিহারের (Bihar) পাঁচ সরকারি স্কুল শিক্ষকের। শুক্রবার ভারত-নেপাল সীমান্তের ভীমনগর চেকপোস্টে মদ্যপ অবস্থায় ধরা পড়েন তাঁরা।
পুলিশ সূত্রে খবর, নেপাল ভ্রমণ সেরে বিহারে ফেরার সময় রুটিন তল্লাশির মুখে পড়েন ওই শিক্ষকরা। আবগারি দপ্তরের সিনিয়র অফিসার সঞ্জয় কুমার প্রিয়দর্শী (Sanjay Kumar Priyadarshi) জানান, “সীমান্তে প্রতিটি যানবাহন ও ব্যক্তির ওপর নজরদারি চালানো হয়। সন্দেহের বশে পাঁচজনকে থামিয়ে ব্রেথ অ্যানালাইজার মেশিনে পরীক্ষা করা হলে প্রত্যেকের রিপোর্ট পজিটিভ আসে।” অর্থাৎ, তাঁরা প্রত্যেকেই মদ্যপ ছিলেন।
গ্রেফতার হওয়া পাঁচ শিক্ষক হলেন— শিবাংশ কুমার, দীপনারায়ণ রাম, ইংলিশ কুমার, ধীরেন্দ্র কুমার এবং মিঠু কুমার। তাঁদের ইতিমধ্যেই বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, বিহারে মদ কেনা-বেচা এবং সেবন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সেই আইন লঙ্ঘনের দায়েই তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
যাঁদের ওপর শিশুদের ভবিষ্যৎ গড়ার দায়িত্ব, তাঁদের এমন আচরণে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এই ঘটনা অত্যন্ত লজ্জাজনক। সুপৌলের জেলাশাসক (DM) সাওয়ান কুমার (Sawan Kumar) জানিয়েছেন, ধৃত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে এবং তাঁদের সাসপেন্ড করার প্রক্রিয়াও ইতিমধ্যে কার্যকর করা হয়েছে। শিক্ষা দপ্তরকেও বিষয়টি বিস্তারিত জানানো হয়েছে।
