Bhowanipore election case | সংরক্ষিত রাখতে হবে সব তথ্য, ভবানীপুরের ভোট গণনা নিয়ে মমতার করা মামলায় হাইকোর্টের বড় নির্দেশ

Bhowanipore election case | সংরক্ষিত রাখতে হবে সব তথ্য, ভবানীপুরের ভোট গণনা নিয়ে মমতার করা মামলায় হাইকোর্টের বড় নির্দেশ

ব্লগ/BLOG
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে রাজনৈতিক জলঘোলা অব্যাহত। এবার ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের (Bhowanipore election case) নির্বাচনি ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা একটি ইলেকশন পিটিশনের প্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্ট এক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) দায়ের করা এই মামলায় বিচারপতির নির্দেশ, ভোটের গণনা সংক্রান্ত যাবতীয় নথিপত্র এবং সিসিটিভি ফুটেজ সুরক্ষিত রাখতে হবে।

উল্লেখ্য, ভবানীপুর কেন্দ্রে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫ হাজার ১১৪ ভোটে পরাজিত হওয়ার পর, সেই ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার অভিযোগ, ভোট গণনায় কারচুপি হয়েছে। ১৬ জুন কলকাতা হাইকোর্টে হাজির হয়ে তিনি এই ইলেকশন পিটিশন দায়ের করেন।

এদিন এই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্ত নির্দেশ দিয়েছেন যে, ভবানীপুর বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য, অর্থাৎ ভিভি প্যাট (VVPAT), ইভিএম (EVM) এবং সিসিটিভি ফুটেজ সুরক্ষিত রাখতে হবে। বিশেষত, যে সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে ভোট গণনা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল, সেই স্কুলের ভেতর ও বাইরের সমস্ত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ যাতে কোনোভাবেই নষ্ট না হয়, তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি, আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনো তথ্য বা ফুটেজ মোছা বা ধ্বংস করা যাবে না বলেও স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। এছাড়া, এই মামলায় সমস্ত পক্ষকে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, সুব্রত গুপ্ত এবং সুনীল আগরওয়ালকে এই মামলায় যুক্ত করা হচ্ছে। আগামী দুই মাস পর কলকাতা হাইকোর্টে এই মামলার পরবর্তী শুনানি ধার্য করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম কেন্দ্রেও শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই পরাজয়ের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তখনও মমতা আদালতে একটি ইলেকশন পিটিশন দায়ের করেছিলেন। গণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলে করা সেই মামলাটি এখনও বিচারাধীন এবং তার কোনো নিষ্পত্তি হয়নি। ভবানীপুরের এই নতুন মামলা এবং হাইকোর্টের আজকের অন্তর্বর্তী নির্দেশ রাজ্যের রাজনৈতিক ও আইনি মহলে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই বিবেচিত হচ্ছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *