Bengal Politics Workplace Occupation | দখল ঘিরে বাড়ছে অস্থিরতা! ‘কেষ্ট’র দপ্তরে তালা ঝোলাল বিজেপি, চুঁচুড়ায় ঝান্ডাবদল পার্টি অফিসের

Bengal Politics Workplace Occupation | দখল ঘিরে বাড়ছে অস্থিরতা! ‘কেষ্ট’র দপ্তরে তালা ঝোলাল বিজেপি, চুঁচুড়ায় ঝান্ডাবদল পার্টি অফিসের

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: বাংলার রাজনৈতিক মানচিত্রে ফের ক্ষমতার দাপট ও দখলের রাজনীতির ছবি স্পষ্ট। মঙ্গলবার বীরভূমের বোলপুর এবং হুগলির চুঁচুড়ায় বিরোধী শিবিরের দলীয় কার্যালয় দখল ও তালা ঝোলানোর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। একদিকে যখন রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্ব সংযত থাকার বার্তা দিচ্ছেন, ঠিক তখনই তৃণমূল ও বামেদের হাত থেকে অফিস দখলের (Bengal Politics Workplace Occupation) হিড়িক বাড়ছে গেরুয়া শিবিরে।

বীরভূমের বোলপুরে অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) একসময়ের দাপুটে অফিস হিসেবে পরিচিত নিচুপট্টির তৃণমূল কার্যালয়ে এদিন আচমকা তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি (BJP) কর্মী-সমর্থকেরা। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আধিপত্যের কেন্দ্রবিন্দুতে বিজেপির এই আক্রমণকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র জল্পনা শুরু হয়েছে। অভিযোগ, তৃণমূলের জমানায় বোলপুরে উন্নয়নের নামে কেবল যথেচ্ছাচার চলেছে। স্থানীয় বিধায়ক ও কাউন্সিলারদের ব্যর্থতার অভিযোগে সরব হয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। যদিও অনুব্রত মণ্ডল বা স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের পক্ষ থেকে এ নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

অন্যদিকে, হুগলির চুঁচুড়ার খাদিনা মোড়ে ঘটল ভিন্ন চিত্র। গত ১৫ বছরে এই পার্টি অফিসটির হাতবদল হয়েছে তিনবার। ২০১১ সালে সিপিএমের শ্রমিক সংগঠন সিটু-র অফিস দখল করে তৃণমূল। সম্প্রতি রাজনৈতিক পালাবদলে সেই অফিস আবার সিটুর হাতে ফিরে গেলেও, মঙ্গলবার ফের সেখানে দেখা গেল বিজেপির বিশাল ব্যানার। তাতে লেখা, ‘ভয় আউট, ভরসা ইন’। বিজেপি কর্মীদের দাবি, এটি এখন থেকে বিজেপির পার্টি অফিস হিসেবেই কাজ করবে।

যদিও এই দখলের রাজনীতি নিয়ে অস্বস্তিতে খোদ গেরুয়া শিবির। দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং রাজ্য নেতৃত্বের স্পষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় স্তরে এই ধরনের ঘটনায় ক্ষুব্ধ নেতৃত্ব। চুঁচুড়ার বিজেপি বিধায়ক সুবীর নাগ নিজেই এই ধরনের কাজের নিন্দা করে জানিয়েছেন, তিনি দলীয় কর্মীদের এই অফিস দখলের কাজ থেকে বিরত থাকতে বলেছিলেন। তাঁর কথায়, ‘‘দখলের রাজনীতি আমরা করব না। পার্টি অফিস যাদের ছিল, তাদেরই ফিরিয়ে দেওয়া হবে।’’ তবুও, স্থানীয় স্তরে কর্মীদের জেদ ও আবেগের সামনে কি পিছু হটবে শীর্ষ নেতৃত্ব? নাকি এই অফিস দখল ঘিরে রাজ্যে বড় কোনো রাজনৈতিক সংঘাতের বীজ রোপিত হচ্ছে? উত্তর মিলবে আগামীদিনে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *