চালসা: দুই ভাইয়ের বচসা যে এমন রক্তারক্তি পরিণতিতে গড়াবে, তা কল্পনাও করতে পারেননি স্থানীয়রা। সামান্য বিবাদের জেরে কাঠের বাটাম দিয়ে আঘাত করে নিজের ভাইকে খুনের অভিযোগ উঠল এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে (Brother murdered)। ঘটনাটি জানাজানি হতেই মাটিয়ালি ব্লকের বড়দিঘি চা বাগানের (Bardighi Tea Backyard) এতোয়া লাইনে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত দাদাকে গ্রেপ্তার (Arrested) করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম সন্ধির বড়াইক। অভিযুক্ত দাদার নাম রন্ধির বড়াইক। বড়দিঘি চা বাগানের এতোয়া লাইনের একটি বাড়িতেই সপরিবারে থাকতেন তাঁরা। বাড়িতে তাঁদের অসুস্থ মা ছাড়াও রন্ধিরের স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছেন। দুই ভাই-ই পেশায় দিনমজুর। রন্ধিরের স্ত্রীও বাগানে শ্রমিকের কাজ করেন।
রবিবার রাতে বাড়িতেই দুই ভাইয়ের মধ্যে কোনও একটি বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। বচসা চলাকালীন আচমকাই মেজাজ হারান রন্ধির। অভিযোগ, এরপরই ঘরে থাকা একটি ভারী কাঠের বাটাম দিয়ে ভাই সন্ধিরের মাথায় সজোরে আঘাত করেন তিনি। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন সন্ধির। আঘাত এতটাই গুরুতর ছিল যে, ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। এরপর সোমবার সকালে প্রতিবেশীরা বিষয়টি জানতে পেরে খবর দেন মেটেলি থানায়। পুলিশ এসে ঘরের ভেতর থেকে দেহটি উদ্ধার করে। এদিনই দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেই সঙ্গে অভিযুক্ত দাদাকেও গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায় পুলিশ।
ঘটনার খবর পেয়ে এলাকায় আসেন স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য ফিলিপ টিরু। তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। পুলিশ দেহ উদ্ধার করেছে এবং অভিযুক্ত দাদাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’ মেটেলি থানার পুলিশ অভিযুক্ত রন্ধির বড়াইককে গ্রেপ্তার করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ঠিক কী কারণে এই বিবাদ এবং খুন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
