Bardhaman | সরকারি নথি বিলি না করে স্তূপীকৃত পঞ্চায়েত অফিসে? কালনায় তুলকালাম!  

Bardhaman | সরকারি নথি বিলি না করে স্তূপীকৃত পঞ্চায়েত অফিসে? কালনায় তুলকালাম!  

শিক্ষা
Spread the love


বর্ধমান: বিলি না করে পঞ্চায়েত অফিসের একটি ঘরে স্তূপীকৃত করে ফেলে রাখা ছিল উপভোক্তাদের এসসি-এসটি সার্টিফিকেট, ডিজিটাল রেশন কার্ড, ভোটার কার্ড ও জব কার্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ নথি। সেই খবর জানাজানি হতেই শুক্রবার সাধারণ মানুষের ক্ষোভ আছড়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের (Bardhaman) কালনা ২ ব্লকের বড় ধামাস গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে।

ঘটনার খবর পেয়ে কালনা (Kalna) থানার পুলিশ পঞ্চায়েত অফিসে পৌছে পরিস্থিতি সামাল দেয়। পঞ্চায়েত অফিসে স্তূপীকৃত হয়ে পড়ে থাকা সমস্ত নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ ওই ঘরটি সিল করে দিয়েছে। গুরুত্বপূর্ন ওইসব সরকারী নথি উপভোক্তাদের হাতে তুলে না দিয়ে কেন পঞ্চায়েত অফিসে গাদা করে ফেলে রাখা হয়েছিল, তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

২০২৩ সালে হওয়া পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর বড় ধামাস গ্রাম পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করে তৃণমূল (TMC)। ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় তৃণমূলের ভরাডুবি ঘটার পর এলাকার মানুষজন নানা অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে বড় ধামস পঞ্চায়েতের দিকে আঙুল তোলা শুরু করেন। তারই মধ্যে এলাকার কয়েকজন আবাস যোজনার উপভোক্তাদের তালিকা দেখতে এদিন পঞ্চায়েত অফিসে যান। তখনই তাঁদের নজরে আসে পঞ্চায়েত অফিসের একটি ঘরে স্তূপিকৃত হয়ে পড়ে আছে উপভোক্তাদের এসসি-এসটি সার্টিফিকেট, ভোটার কার্ড, ডিজিটাল রেশন কার্ড ও জব কার্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ নথি। এই খবর চাউর হতেই এলাকার বাসিন্দা মহলে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

এই ঘটনা প্রসঙ্গে পঞ্চায়েত প্রধান মুনমুন বাগ যদিও দাবি করেছেন, অনেক কার্ডে নামের বানান ভুল ছিল, আবার কিছু ছিল ডুপ্লিকেট। সেই কারণেই সেগুলি বিতরণ করা সম্ভব হয়নি।

তবে এই প্রসঙ্গে স্থানী বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকার বহু মানুষ ১৫ বছর বা তারও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা থেকে বঞ্চিত রয়ে আছেন। তাদের সরকারী পরিষেবা পাওয়ার জন্য যে সব কার্ড ও নথি দরকার, সেইসব কিছু যে ওই স্তূপে নেই, সেটার গ্যারান্টি কি প্রধান দিতে পারবেন?

এলাকাবাসী এইসব অভিযোগ তোলার সময়েই পঞ্চায়েত প্রধান মুনমুন বাগ দাবি করে বসেন, তিনি প্রধান পদে থাকলেও সব সিদ্ধান্ত তাঁর হাতে ছিল না। ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি প্রণব রায়ের নির্দেশেই নাকি পঞ্চায়েতের অধিকাংশ কাজ পরিচালিত হত। জানা গিয়েছে, রাজ্যে পালাবদলের পর দুর্নীতি ও তোলাবাজির অভিযোগে পরপর দু’বার গ্রেপ্তার হন প্রণব রায়। এই আবহে পঞ্চায়েত প্রধানের এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে কালনার রাজনৈতিক মহলে তুঙ্গে উঠেছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *