Aroop Biswas | মেসি-কাণ্ডে বিপাকে অরূপ বিশ্বাস! গ্রেপ্তারের আশঙ্কায় হাইকোর্টে চাইলেন রক্ষাকবচ

Aroop Biswas | মেসি-কাণ্ডে বিপাকে অরূপ বিশ্বাস! গ্রেপ্তারের আশঙ্কায় হাইকোর্টে চাইলেন রক্ষাকবচ

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: লিয়োনেল মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কিত ‘মেসি-কাণ্ডে’র (Messi Controversy) জল এখন অনেক দূর গড়িয়েছে। গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় কার্যত দিশেহারা রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস (Aroop Biswas)। সোমবার গ্রেপ্তারির আশঙ্কা থেকে মুক্তি পেতে তিনি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। কিন্তু আবেদন করলেও, বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য তাঁর দ্রুত শুনানির আর্জি খারিজ করে দিয়েছেন। স্বাভাবিক নিয়মে মামলা করার পরামর্শ দিয়েছে আদালত।

জানা গিয়েছে, রবিবারই পুলিশের একটি দল প্রাক্তন মন্ত্রীর বাড়িতে নোটিশ দিতে গিয়েছিল। মেসি-কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে সোমবার বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযোগ, পুলিশ বারবার বেল বাজালেও প্রাক্তন মন্ত্রীর বাড়ি থেকে কেউ সাড়া দেননি। শেষ পর্যন্ত পুলিশের নোটিশ বাড়ির দরজার বাইরে টাঙিয়ে দেওয়া হয়। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার অরূপ বিশ্বাসকে তলব করা হলো। এর আগে গত বৃহস্পতিবার হাজিরা এড়িয়ে আইনজীবী মারফত ১৪ দিনের সময় চেয়ে চিঠি দিয়েছিলেন তিনি।

হাইকোর্টে (Calcutta Excessive Court docket) অরূপের আইনজীবী কিশোর দত্ত রক্ষাকবচের আবেদন জানিয়ে বলেন, “প্রাক্তন মন্ত্রীর ভাইকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনিও যে কোনো মুহূর্তে গ্রেপ্তার হতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন।” উল্লেখ্য, গত ১৩ মে এই সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। দীর্ঘ ৬ মাস পর পুলিশের এই তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রাক্তন মন্ত্রী। তবে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, জরুরি ভিত্তিতে এই মামলার শুনানি সম্ভব নয়। আদালত জানিয়েছে, গ্রেপ্তারের আশঙ্কা থাকলে ক্রিমিনাল বেঞ্চে মামলা করতে হবে।

উল্লেখ্য, যুবভারতীতে লিয়োনেল মেসির (Lionel Messi) অনুষ্ঠানের আয়োজক শতদ্রু দত্তের অভিযোগের ভিত্তিতে অরূপ বিশ্বাস সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে পাঁচটি ধারায় এফআইআর দায়ের করেছে পুলিশ। অনুষ্ঠানের অব্যবস্থাপনা এবং টিকিট কেটেও বহু দর্শককে মেসিকে দেখতে না পাওয়ার ঘটনার পর থেকেই অরূপের ভূমিকা নিয়ে তুমুল সমালোচনা হয়। বিতর্কের মুখেই তিনি ক্রীড়ামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। এর আগেও আগাম জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বারবার তলব এবং বাড়ির দরজায় নোটিশ টাঙানোর ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে—আইনের জালে কি ক্রমশই জড়িয়ে পড়ছেন প্রাক্তন মন্ত্রী? পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, তা নিয়েই এখন জল্পনা তুঙ্গে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *