Anti Liquor Protest | সারের দোকান রাতারাতি হয়ে গেল শুঁড়িখানা! গাজোলে মদের দোকান রুখতে ঐক্যবদ্ধ ছয় গ্রামের মানুষ

Anti Liquor Protest | সারের দোকান রাতারাতি হয়ে গেল শুঁড়িখানা! গাজোলে মদের দোকান রুখতে ঐক্যবদ্ধ ছয় গ্রামের মানুষ

শিক্ষা
Spread the love


গাজোল: প্রবাদ আছে ‘ছিল রুমাল হয়ে গেল বিড়াল’। মালদার গাজোল ব্লকের সালাইডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের পূর্ব অনন্তপুর এলাকায় ঠিক তেমনটাই ঘটল। যে দোকানটি কয়েকদিন আগেও চাষিদের সারের জোগান দিত, মঙ্গলবার হঠাৎ করেই সেটি মদের দোকানে রূপান্তর করার চেষ্টা হতেই ফুঁসে উঠলেন গ্রামবাসীরা। এলাকার পরিবেশ ও নারী নিরাপত্তা রক্ষায় দলমত নির্বিশেষে ছয়টি গ্রামের মানুষ একজোট হয়ে আন্দোলনে সামিল হয়েছেন (Anti Liquor Protest)

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব অনন্তপুরের সাবইল মোড় এলাকায় আহিল গ্রামের জনৈক মণ্ডল একটি সারের দোকান খুলেছিলেন। কিন্তু হঠাৎই গ্রামবাসীরা জানতে পারেন, সারের ব্যবসার আড়ালে সেখানে মদের দোকান ও বার খোলার প্রস্তুতি চলছে। মঙ্গলবার সকালে মালিক তাঁর দুই ছেলেকে নিয়ে দোকানের উদ্বোধন করতে এলে ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে স্থানীয়দের। মুহূর্তের মধ্যে পূর্ব অনন্তপুর সহ আশেপাশের ছয়টি গ্রামের মানুষ সেখানে জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন।

আন্দোলনে শামিল স্থানীয় বাসিন্দা বিভা রায় ও মিন্টু সরকারদের স্পষ্ট বক্তব্য, “এলাকার মা-বোনেরা রাত পর্যন্ত নিশ্চিন্তে যাতায়াত করেন। এখানে মদের দোকান বা বার খুললে মদ-মাতালদের ভিড় বাড়বে, এলাকার শান্তি বিঘ্নিত হবে এবং সুস্থ পরিবেশ নষ্ট হবে।” গ্রামবাসীরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোনওভাবেই জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এই মদের দোকান চলতে দেওয়া হবে না।

শুধু বিক্ষোভ নয়, আইনি পথেও লড়াই শুরু করেছেন গ্রামবাসীরা। মঙ্গলবার বিকেলেই গাজোল থানার আইসি এবং বিডিও-র কাছে গণস্বাক্ষর সম্বলিত একটি অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের হুঁশিয়ারি, প্রশাসন যদি অবিলম্বে এই মদের দোকান বন্ধ না করে, তবে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন তাঁরা।

এই বিষয়ে সালাইডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান রেনুকা সরকার জানিয়েছেন, পঞ্চায়েত অফিস থেকে ওই এলাকায় মদের দোকান বা বার খোলার জন্য কোনো প্রকার অনুমতি বা ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ (NOC) দেওয়া হয়নি। পঞ্চায়েতের এই অবস্থানে গ্রামবাসীদের আন্দোলন আরও অক্সিজেন পেয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *