Alipurduar | ভাইফোঁটা পেলেন সেনা জওয়ানরা

Alipurduar | ভাইফোঁটা পেলেন সেনা জওয়ানরা

ব্লগ/BLOG
Spread the love


আলিপুরদুয়ার ব্যুরো: রীতি একই, এলাকা-জনজাতি বিশেষে ভাষাগত পার্থক্যে পরবের নাম-আয়োজনে শুধু সামান্য হেরফের। বৃহস্পতিবার আলিপুরদুয়ার জেলাজুড়ে নানা রংয়ের মাধুর্যে সাড়ম্বরে পালিত হল ভাইফোঁটা। বাড়ি বাড়ি যেমন অনুষ্ঠান হল, তেমনই বিভিন্ন সংগঠনের তরফেও দিনটি পালন করা হল।

অন্যদিকে, গোর্খা সম্প্রদায়ের মানুষ বুধবার রাতে রীতি মেনে দেউসি উৎসব পালন করেন। বৃহস্পতিবার তাঁদের ভাইটিকা অনুষ্ঠান হয়। সাতালি, ভার্নোবাড়ি চা বাগান থেকে শুরু করে কালচিনি সহ বিভিন্ন চা বাগানে নানা অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে ভাইটিকা উৎসব পালিত হয় এদিন। কালচিনি ব্লকে ভাইফোঁটার আবার অন্যতম আকর্ষণ হ্যামিল্টনগঞ্জের কালীপুজোর মেলা। ওই মেলায় ঘোরার জন্য অনেক গৃহবধূই ভাইকে ফোঁটা দিতে বাবার বাড়ি যান না। বরং ভাইরাই ফোঁটা নিতে দিদির বাড়ি চলে আসেন। এবছরও তার অন্যথা হয়নি।

এসএসবি জওয়ানদের এই উৎসবে শামিল করতে এদিন কামাখ্যাগুড়ি ভলান্টারি অর্গানাইজেশন নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার উদ্যোগে আয়োজন করা হয় ভাইফোঁটা অনুষ্ঠানের। জওয়ানরা যাতে বোনেদের ফোঁটা থেকে বঞ্চিত না থাকেন, তার জন্য মন্টি দেবনাথ, সোনালি দেবনাথের মতো তরুণীরা এদিন ভুটান সীমান্তের হাতিপোঁতার কাছে লিম্বুধুরা, জয়ন্তী ও ভুটানঘাটে এসএসবির ৩৪ নম্বর ব্যাটালিয়নের ক্যাম্পে পৌঁছে যান। জওয়ানরা ফোঁটা পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই আপ্লুত। ফোঁটা দিয়ে শামুকতলা এবং কামাখ্যাগুড়ি এলাকার ওই তরুণীরাও ভীষণ খুশি। সংস্থার সম্পাদক উদয়শংকর দেবনাথ বলেন, ‘জওয়ানরা দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করেন। পরিবার-পরিজনদের ছেড়ে সমস্ত উৎসব থেকে বঞ্চিত থাকেন। এদিন তাঁদের ভাইফোঁটার আনন্দ দিতে পেরে আমাদের খুব ভালো লাগছে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *