Ajit Agarkar | ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে দলে রাখতেই হবে ‘হিটম্যানকে’, প্রধান নির্বাচক অজিত আগরকরকে স্পষ্ট বার্তা বোর্ডের

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ ইংল্যান্ড সিরিজের মাঝেই রোহিত শর্মাকে আচমকা অবসর নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়ায় তীব্র ক্ষুব্ধ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (BCCI) শীর্ষ কর্তারা। আর এই পুরো বিতর্কের জেরে খোদ প্রধান নির্বাচক অজিত আগরকরের (Ajit Agarkar) ভবিষ্যৎই এখন প্রবল অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে গিয়েছে। রোহিতের মতো সিনিয়র ও সফল ক্রিকেটারের ওপর এভাবে জোর করে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার পক্ষে একেবারেই নন দেবজিৎ শইকীয়াদের মতো বোর্ড কর্তারা। উল্টে ঘরের মাঠে আসন্ন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজে রোহিতকে স্কোয়াডে রাখার স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নির্বাচক কমিটিকে।

২০২৭ সালের ওয়ান ডে বিশ্বকাপ খেলার ইচ্ছেপ্রকাশ করেছেন রোহিত শর্মা। অথচ প্রধান নির্বাচক অজিত আগরকর এবং কোচ গৌতম গম্ভীরেরা তাঁকে সেই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার বাইরে রাখতে চাইছিলেন। অভিযোগ, ইংল্যান্ড সিরিজের চলাকালীনই রোহিতকে জানিয়ে দেওয়া হয় যে জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় তিনি আর নেই। নির্বাচকদের এই আচরণে চরম বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ রোহিত সরাসরি বিসিসিআই-এর শীর্ষ কর্তাদের কাছে অভিযোগ জানান।

পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ময়দানে নামতে হয় বোর্ড সচিব দেবজিৎ শইকীয়াকে। তিনি রোহিতকে আশ্বস্ত করে স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, রোহিত আরও কিছুদিন দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন এবং অবসরের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে তাঁর নিজের ব্যক্তিগত ব্যাপার। এর পরই লর্ডসে ১৩৮ রানের এক চোখ ধাঁধানো ও আগ্রাসী ইনিংস খেলে সমালোচকদের মুখ বন্ধ করে দেন রোহিত। আর লর্ডসের সেই অনবদ্য শতরানই নির্বাচকদের ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়েছে এবং বোর্ড কর্তাদের অবস্থানকে আরও শক্ত করেছে।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, লর্ডসের ওই ইনিংসের পর ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে ওয়ান ডে সিরিজে রোহিতকে দল থেকে বাদ দেওয়া একপ্রকার অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাধারণত বোর্ড কর্তারা দল নির্বাচনে সচরাচর হস্তক্ষেপ করেন না, তবে রোহিতের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁকে স্কোয়াডে রাখতেই হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ওয়ান ডে বিশ্বকাপের আগে পর্যন্ত প্রতিটি সিরিজে রোহিতের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স খতিয়ে দেখার কথা বলা হয়েছে।

আগামী সেপ্টেম্বরেই প্রধান নির্বাচক হিসেবে অজিত আগরকরের তিন বছরের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। শ্রীলঙ্কা সিরিজের পর তাঁর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন বোর্ড কর্তারা। নিয়মানুযায়ী তাঁর মেয়াদ এক বছর বাড়ানো সম্ভব এবং তাঁর আমলে দল দু’বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতায় বোর্ডের একটি অংশ তাঁর সাফল্যের দিকটিও মাথায় রাখছে। তবে রোহিত বা বিরাট কোহলির মতো তারকাদের ওপর জোর করে অবসরের সিদ্ধান্ত চাপানোর মতো বিতর্কিত পদক্ষেপ এড়াতে পারলে তবেই আগরকরের মেয়াদ বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *