After allegedly killing husband, spouse dismembers physique and dumps it in river in Bangladesh

After allegedly killing husband, spouse dismembers physique and dumps it in river in Bangladesh

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাক্ষী হল বাংলাদেশ। শরিয়তপুর উপজেলার চন্দ্রপুর এলাকায় খুন হলেন জিয়াউদ্দিন সর্দার। বছর পঁয়তাল্লিশের ওই ব্যক্তির স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, তিনিই স্বামীকে হত্যার পর দেহ টুকরো করে কেটে কিছু অংশ পদ্মায় ফেলে দেন। বাকি অংশ একটি সড়কের পাশের ডোবায় ফেলেন। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্ত নিজের অপরাধ কবুল করেছেন বলেই পুলিশ সূত্র জানিয়েছে।

শরিয়তপুরের পুলিশ কর্তা শাহ আলম সেদেশের সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ধৃতের নাম আসমা। তিনি নিহত জিয়াউদ্দিনের স্ত্রী। অভিযোগ, স্বামীকে খুন করেই ক্ষান্ত হননি তিনি। হাত–পা টুকরা করে মাংস আলাদা করে ফেলেন। দেহাংশ ছড়িয়ে দেন নদীনালায়। কীভাবে বিষয়টা নজরে এল? দাবি, কিছু অংশ একটি ড্রামে ভরে ফ্রিজে রাখেন ওই মহিলা। দুর্গন্ধে টিকতে না পেরে স্থানীয় বাসিন্দারাই জাতীয় জরুরি পরিষেবা নম্বর ৯৯৯–এ কল দেন। আসমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি নাকি ভেঙে পড়ে সব কথা স্বীকার করে নেন। পরে পুলিশ স্থানীয় এক ডোবা থেকে জিয়াউদ্দিনের কাটা মাথা উদ্ধার করে। ধৃতের বাড়ি থেকে ছুরি ও লোহার রড উদ্ধার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:

কেন আসমা এমন করলেন, তা বুঝতে পারছেন না তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। জানা গিয়েছে, জিয়াউদ্দিন থাকতেন মালয়েশিয়ায়। তাঁর ও আসমার দুই সন্তানও রয়েছে। গত বছর মালয়েশিয়া থেকে ফিরে এসেছিলেন জিয়াউদ্দিন। এবছরই তাঁর ফের মালয়েশিয়া যাওয়ার কথা ছিল। দু’জনেই নিয়মিত ঝগড়া করতেন। খুনের নেপথ্যেও দাম্পত্য কলহ রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে তাঁদের ঝগড়া হয়েছিল তা এখনও জানা যায়নি। পুলিশ পুরো বিষয়টাই খতিয়ে দেখছে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *