ABVP Poster Presidency College | প্রেসিডেন্সিতে স্বামী বিবেকানন্দের ছবিতে আপত্তিকর শব্দ! কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি উচ্চশিক্ষা মন্ত্রীর

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে (Presidency College) অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (ABVP) ব্যানার ও পোস্টারে থাকা স্বামী বিবেকানন্দের ছবির ওপর আপত্তিকর ও অশালীন শব্দ লেখার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি (ABVP Poster Presidency College)। ক্যাম্পাসের পবিত্রতা ও মনীষীর অবমাননার এই তীব্র ঘটনার পর অত্যন্ত কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দপ্তর। উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, স্বামী বিবেকানন্দের মতো মহান ব্যক্তিত্বের ছবি অবমাননার ঘটনা কোনো অবস্থাতেই বরদাস্ত করা হবে না এবং এর বিরুদ্ধে প্রশাসনের তরফ থেকে সর্বোচ্চ কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার রাতে বা তার কাছাকাছি সময়ে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের ভেতরের দেওয়ালে সাঁটানো এবিভিপির পোস্টারে অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীরা অত্যন্ত আপত্তিকর ও কুরুচিকর কিছু শব্দ লিখে দেয়। ওই একই পোস্টারে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) উদ্দেশ্যেও কটু মন্তব্য করা হয়। পোস্টারে থাকা স্বামী বিবেকানন্দের ছবির ওপর এই ধরনের অশালীন লেখার ঘটনা সামনে আসতেই ছাত্রমহল ও রাজনৈতিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।

এরই প্রতিবাদে বুধবার দুপুরে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন এবিভিপি সমর্থকরা। ঘটনার জেরে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং এবিভিপির পক্ষ থেকে পুলিশের কাছে একটি সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়। ঘটনার গুরুত্ব ও সংবেদনশীলতা বুঝে বৃহস্পতিবার উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় স্পষ্টভাবে জানান, “স্বামী বিবেকানন্দের ছবির ওপরে কেউ এই ধরনের আপত্তিকর শব্দ লিখে দিয়ে যাবে—এই ঘটনা উচ্চশিক্ষা দপ্তর এবং বর্তমান রাজ্য সরকার কোনো অবস্থাতেই মেনে নেবে না।”

মন্ত্রী জানান যে তিনি নিজে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে চলেছেন। ইতিমধ্যেই প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গোটা ঘটনাটির পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের জন্য একটি পাঁচ সদস্যের বিশেষ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটিকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তাদের তদন্ত রিপোর্ট পেশ করার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর সেই রিপোর্ট সরাসরি কলকাতার পুলিশ কমিশনার নিজে খতিয়ে দেখবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। দোষী ব্যক্তিরা যেই হোক না কেন, কাউকেই কোনো রকম ছাড় দেওয়া হবে না এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোরতম শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে উচ্চশিক্ষা দপ্তর।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *