মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপের পরই ইউক্রেনে মারণ হামলা রাশিয়ার। সোমবার ভোরে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হল ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে। ভয়ংকর এই হামলায় অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন বহু মানুষ। গুঁড়িয়ে গিয়েছে একাধিক বহুতল। ধ্বংসস্তূপের নিচে বহু মানুষ আটকে রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ইউক্রেনের তরফে জানানো হয়েছে, রবিবার গভীর রাত থেকে সোমবার ভোর পর্যন্ত কিয়েভ ও তার আশপাশের এলাকায় ব্যাপক হারে ড্রোন ও ব্যালেস্টিক মিসাইল হামলা চালায় রাশিয়া। রাত দেড়টা নাগাদ প্রথম হামলা হয়। এরপর একাধিক জায়গায় কয়েক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়ে কিয়েভের নানা প্রান্তে। হামলার জেরে গোটা দেশে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়। সাধারণ আবাসনগুলির পাশাপাশি হামলা হয়েছে কিয়েভের পশ্চিমপ্রান্তে একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রেও। কার্যত ধ্বংস হয়ে গিয়েছে সেটি।
আরও পড়ুন:
রবিবার গভীর রাত থেকে সোমবার ভোর পর্যন্ত কিয়েভ ও তার আশপাশের এলাকায় ব্যাপক হারে ড্রোন ও ব্যালেস্টিক মিসাইল হামলা চালায় রাশিয়া। রাত দেড়টা নাগাদ প্রথম হামলা হয়।
কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো জানিয়েছেন, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে এবং জনগণকে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকার আবেদন জানানো হয়েছে। প্রশাসনের তরফে জানানো, কিয়েভে সাতজন এবং রাজধানীর উত্তর-পশ্চিমের বুচা জেলায় একজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া কিয়েভ ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে অন্তত ৩৪ জন আহত হয়েছেন।
এদিকে রাশিয়ার এই হামলা এমন সময়ে হল, যখন ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী ৭-৮ জুলাই তুরস্কে হতে চলেছে ন্যাটো সম্মেলন। সেই সম্মেলনকে মাথায় রেখে ইউক্রেন চুক্তি নিয়ে ৪ জুলাই আলোচনা হয় ট্রাম্প ও পুতিনের। ৯০ মিনিট ধরে চলা সেই ফোনালাপে দ্রুত যুদ্ধবিরতির ও যাবতীয় সমস্যার কূটনৈতিক সমাধানের কথা জানান ট্রাম্প। ফোনে ট্রাম্পকে আমেরিকার স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি তাঁকে মস্কোয় আসার আমন্ত্রণ জানান পুতিন। শনিবার সেই ফোনালাপের পর রবিবার রাত থেকে ইউক্রেনে হামলার ঝাঁজ বাড়াল রুশ।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
