২০১১ সালের পর প্রথম! ২১ জুলাই সভামঞ্চে গরহাজির নেতাইয়ের শহিদ পরিবারগুলি

২০১১ সালের পর প্রথম! ২১ জুলাই সভামঞ্চে গরহাজির নেতাইয়ের শহিদ পরিবারগুলি

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


২০১১ সালের পর প্রথম। শহিদ দিবসে সাড়া দিল না নেতাইয়ের শহিদ পরিবারগুলি। তৃণমূলের কোনও পক্ষ থকেই তাদের কলকাতার মঞ্চে তাঁদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। ফলে ২০১১ সালের পরে হওয়া কোনও শহিদ দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকলেন না তাঁরা।

তৃণমূলের প্রাক্তন ব্লক সাধারণ সম্পাদক তথা নেতাই শহিদ স্মৃতি রক্ষা কমিটির সম্পাদক জয় রায়ের মাধ্যমে পরিবারগুলি শহিদ মঞ্চে উপস্থিত থাকতেন। তার সঙ্গেই রাজ্য তৃণমূলের নেতৃত্ব যোগাযোগ করতেন। এবার তাঁর কাছে কোনও পক্ষের ফোন আসেনি। জয় বলেন, “শহিদ পরিবারগুলিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমি ফোন পাইনি।” তিনি কোন পক্ষে আছেন এই প্রশ্নের উত্তরে বলেন, “যদি থাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই থাকব। অন্য কোনও পক্ষে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই।” শহিদ অরূপ পাত্রের দাদা কার্তিক পাত্র বলেন, “আমরা প্রতিবার যাই। আমাদের জয় রায় নিয়ে যান। এবার কোনও ডাক পাইনি। তাই যাওয়া হয়নি।” তিনি আরও যোগ করেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শহিদ পরিবারগুলিকে চাকরি দিয়েছেন। সে কথা আমরা কখনও ভুলতে পারি না।”

আরও পড়ুন:

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে ৭ জানুয়ারি লালগড়ের নেতাই গ্রামে হার্মাদের গুলিতে তিন মহিলা-সহ নয় জনের প্রাণ গিয়েছিল। আহত হয়েছিলের ২৮ জন। সেই ঘটনার পর রাজ্যে পালা বদলের পর রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে নিহত শহিদ পরিবারগুলির এক জনকে চাকরি দেওয়া হয়েছিল। আহতদের ক্ষতিপূরণ-সহ চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছিল তৎকালীন সরকার। প্রতি বছরই শহিদ পরিবার অনুষ্ঠান মঞ্চে থাকতেন। এবারই ব্যতিক্রম।

অন্যদিকে এদিন কলকাতার তারা মণ্ডল রোডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শহীদ মঞ্চে জেলার গুরুত্বপূর্ণ তৃণমূল নেতাদের দেখা না গেলেও দেখা গিয়েছে প্রাক্তন রাজ্য সরকারের মন্ত্রী, ঝাড়গ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক বিরবাহা হাঁসদাকে। তিনি বক্তব্যও রেখেছেন সাঁওতালি এবং বাংলা ভাষায়।তিনি বলেন, “যতদিন শরীরে রক্ত থাকবে ততদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেত্রীর পাশে রয়েছেন।” এ দিন জেলা কংগ্রেসের পক্ষ থেকেও ঝাড়গ্রাম থেকে চোখে পড়ার মতো না হলেও মোটামুটি কর্মী সমর্থকরা তাদের শহীদ দিবসের অনুষ্ঠানে গিয়েছেন।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *