‘১৫ বছর ধরে এই ওষুধ দিয়ে আসছি…’ সিরাপ কাণ্ডে মুখ খুললেন ধৃত চিকিৎসক

‘১৫ বছর ধরে এই ওষুধ দিয়ে আসছি…’ সিরাপ কাণ্ডে মুখ খুললেন ধৃত চিকিৎসক

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পরপর শিশুমৃত্যুর জেরে মধ্যপ্রদেশে ইতিমধ্যেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে ‘বিষাক্ত’ কাশির সিরাপ ‘কোল্ডরিফ’। পাশাপাশি, গ্রেপ্তার করা হয়েছে ডঃ প্রবীণ সোনি নামে এক চিকিৎসককেও। জানা গিয়েছে, ‘বিষাক্ত’ এই কাশির সিরাপ তিনিই ‘প্রেসক্রাইব’ করেছিলেন। এই পরিস্থিতিতে এবার মুখ খুললেন ধৃত ওই চিকিৎসক। বলেন, “গত ১৫ বছর ধরে এই ওষুধ আমি প্রেসক্রাইব করে আসছি। আগে এরকম কোনও ঘটনা ঘটেনি।”

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ড. সোনির বিরুদ্ধে গত শনিবার এফআইআর দায়ের করা হয়। সেই সঙ্গেই সিরাপটির নির্মাতা স্রিসান ফার্মাসিউটিক্যালের কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ লিপিবদ্ধ করা হয়। একাধিক ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্তকারীদের একটি সূত্রের খবর, ড: সোনি তাঁর প্রেসক্রিপশনে এই সিরাপটি খাওয়ার কথা লিখেছিলেন। কিন্তু সাম্প্রতিক একটি পরীক্ষায় ধরা পড়েছে, সিরাপটিতে ৪৮.৬ শতাংশ ডাইথিলিন গ্লাইকল রয়েছে। এই বিষাক্ত রাসায়নিকটির প্রয়োগে শিশুদের কিডনি বিকল হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল থাকে। সেক্ষেত্রে মৃত্যুও হয় চোখের নিমেষে। অন্যদিকে অভিযুক্ত ওই চিকিৎসকের বক্তব্য, “বাচ্চাদের সর্দি-কাশির সমস্যায় গত ১৫ বছর ধরে আমি এই ওষুধ প্রেসক্রাইব করে আসছি। এর আগে এরকম কোনও ঘটনা ঘটেনি।” ড: সোনির দাবি, এই শিশুমৃত্যুর ঘটনায় তাঁর কোনও হাত নেই।   

গত কয়েকদিন ধরেই মধ্যপ্রদেশের ছিন্দওয়ারা এবং রাজস্থানের সিকার এলাকায় পরপর শিশুমৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। সামান্য জ্বর থেকেই আচমকা কিডনি বিকল হয়ে মৃত্যু হচ্ছিল তাদের। মধ্যপ্রদেশে সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ১৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জানা যাচ্ছে, জ্বর হলেই অসুস্থ শিশুটিকে সরকারি হাসপাতালে ৬ ঘণ্টার জন্য নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। অবস্থার অবনতি হলে শিশুদের জেলা হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।

শনিবার মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব বলেন, “কোল্ডরিফ সিরাপের কারণে ছিন্দওয়ারায় শিশুদের মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক। সমগ্র মধ্যপ্রদেশে এই সিরাপের বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সিরাপ তৈরির কারখানাটি তামিলনাড়ুর কাঞ্চিপুরমে অবস্থিত। তাই রাজ্য সরকার তামিলনাড়ু সরকারকে তদন্তের জন্য আর্জি জানিয়েছে। শনিবার সকালে রিপোর্ট পাওয়া গিয়েছে। তার ভিত্তিতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *