হোয়াটসঅ্যাপে বাংলাদেশে বেআইনি অস্ত্র কারবার! বনগাঁয় ধৃত ৪ জনকে জেরা করে বিস্ফোরক তথ্য

রাজ্য/STATE
Spread the love


বাংলাদেশে অস্ত্র বিক্রির কারবার চালানোর অভিযোগে দুই দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছিল বনগাঁ থানার পুলিশ। এবার তাদের জেরা করে আরও দুই অস্ত্র কারবারিকে গ্রেপ্তার করল বনগাঁ থানার পুলিশ। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন পেট্রাপোল বন্দর এলাকা থেকে দুজনকে হাতেনাতে ধরা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম জীবন কর ও জামাল মন্ডল। ধৃত জীবনের বাড়ি পেট্রাপোল থানার খলিদপুর এবং জামালের বাড়ি বনগাঁ থানার ভাসানপোতা এলাকায়। ‌ পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত জীবন এবং জামাল দুজনেই বাংলাদেশে অস্ত্র পাচারের সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু কীভাবে সীমান্তে নজরদারি এড়িয়ে চলছে বেআইনি অস্ত্রের কারবার?

আন্তর্জাতিক সীমান্তে বসে এমন অস্ত্রের কারবার প্রকাশ্যে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন। বড়সড় কেলেঙ্কারির একেবারে গভীরে পৌঁছতে বিভিন্ন জায়গায় চলছে তল্লাশি অভিযান।

আরও পড়ুন:

হামিম মণ্ডলকে নিয়ে চর্চার মাঝেই গত কয়েকদিন আগে হাবড়া থেকে জঙ্গি সন্দেহে রানা রউফ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে এসটিএফ। এরপরেই সীমান্ত সংলগ্ন বনগাঁ এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ায় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন। বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। সেই অভিযান চলাকালীন শহিদুল মণ্ডল এবং অনুপ খান নামে দুই অস্ত্র কারবারিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় নাইন এমএম পিস্তল ও দুটি ম্যাগাজিন। জানা যায়, ধৃত দুজনকে জেরা করেই জীবন এবং জামালের খোঁজ পান তদন্তকারীরা।

জানা যায়, শহিদুল মণ্ডল এবং অনুপ খানের সঙ্গেই ধৃত শহিদুল, অনুপ বাংলাদেশে অস্ত্র বিক্রির কারবার চালাত। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে অস্ত্রের কারবার চলত সম্পূর্ণটাই হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমে। জানা যায়, ধৃতরা পেট্রাপোল বন্দরে বসে বাংলাদেশ থেকে আসা লোকজনদের সঙ্গে আলোচনা চলত৷ এরপর হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমে সীমান্তের ওপারে থাকা এক কিংবা একাধিক ব্যক্তির কাছে পৌঁছে যেত অত্যাধুনিক অস্ত্রের ছবি। অর্ডার ফাইনাল হওয়ার পরই চোরাপথে বাংলাদেশি দুষ্কৃতীদের টাকা ধৃতদের হাতে এসে পৌঁছত। সেই টাকা অনেকক্ষেত্রে আসত সাধারণ মানুষের হাত ধরে। আবার একইভাবে সীমান্তের এপার থেকেও বাংলাদেশে বেআইনি অস্ত্র পৌঁছে দিত ধৃত এই চারজন।

আন্তর্জাতিক সীমান্তে বসে এমন অস্ত্রের কারবার প্রকাশ্যে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন। বড়সড় কেলেঙ্কারির একেবারে গভীরে পৌঁছতে বিভিন্ন জায়গায় চলছে তল্লাশি অভিযান। দফায় দফায় ধৃত চারজনকে জেরা করে আরও তথ্য পেতে মরিয়া তদন্তকারী আধিকারিকরা।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *