দিল্লি এইমস-এর চিকিৎসকদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত, ১২ দিন পর শেষকৃত্য তিশার

দিল্লি এইমস-এর চিকিৎসকদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত, ১২ দিন পর শেষকৃত্য তিশার

রাজ্য/STATE
Spread the love


হাই কোর্টের নির্দেশ মেনে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের পর তিশা শর্মার দেহ নিল পরিবার। দিল্লির এইমসের চার সদস্যের চিকিৎসক দলের উপস্থিতিতে ময়নাতদন্ত শেষ হওয়ার পর রবিবার ভোপালে ভদ্রভদা ঘাটে শেষকৃত্য হয়েছে তিশার। তাঁর মুখাগ্নি করেন ভাই মেজর হর্ষিত শর্মা। মেয়েকে শেষ বিদায় জানাতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিশার বাবা-মা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।

গত ১২ই মে ভোপালের কাটারা হিলস এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে ৩৩ বছর বয়সি তিশাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল। মেয়ের মৃত্যুতে শ্বশুরবাড়ির দিকে অভিযোগের আঙুল তোলে পরিবার। অভিযোগ করা হয়, পণের দাবিতে নির্যাতন ও আত্মহত্যায় প্ররোচনা দিয়েছিলেন তাঁর স্বামী ও শাশুড়ি। তিশার শাশুড়ি গিরিবালা সিং একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। পাশাপাশি তিশার স্বামী সমর্থ সিং একজন আইনজীবী। ফলে অভিযোগ ওঠে, তাঁরা এই মামলার তদন্ত প্রভাবিত করছেন। নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে হাই কোর্টে দায়ের হয়েছিল মামলা। শুরুতে গিরিবালার অভিযোগ ছিল তিশা মাদকাসক্ত। তবে সে দাবি পুরোপুরি খারিজ করে পরিবার।

আরও পড়ুন:

ময়নাতদন্ত শেষ হওয়ার পর রবিবার ভোপালে ভদ্রভদা ঘাটে শেষকৃত্য হয়েছে তিশার। তাঁর মুখাগ্নি করেন ভাই মেজর হর্ষিত শর্মা।

মামলার ভিত্তিতে মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্টের নির্দেশে মৃতদেহের দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের জন্য চার সদস্যের একটি বিশেষ মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে দিল্লি এইমস। শনিবার সেই দল ভোপাল পৌঁছে দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার পর দেহ গ্রহণ করে পরিবার। এরপর রবিবার ভোপালে ভদ্রভদা ঘাটে সম্পন্ন হয় শেষকৃত্য। তিশার মৃত্যুতে ১০ দিন পালিয়ে বেড়ানোর পর সমর্থ সিং জবলপুর আদালতে আত্মসমর্পণ করতে গেলে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। গিরিবালা সিংয়ের বিরুদ্ধে তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগে জামিন বাতিলের নোটিস জারি করা হয়েছে। এদিন তিশার শেষকৃত্যে দু’জনের কাউকেই উপস্থিত থাকতে দেওয়া হয়নি।

এদিকে প্রাক্তন মিস পুণে তিশা শর্মার রহস্যমৃত্যুর মামলায় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে হস্তক্ষেপ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। আগামী ২৫ মে সোমবার মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত হয়েছে। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত-সহ তিন সদস্যের বেঞ্চে শুনানি হবে এই মামলার। তিন সদস্যের এই বেঞ্চে থাকছেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলি।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *