দুরন্ত এক্সপ্রেসের পর এবার পাথরবাজদের টার্গেটে রাজধানী এক্সপ্রেস। নয়াদিল্লি-হাওড়া রাজধানী এক্সপ্রেসে মুহুর্মুহু ইটবৃষ্টি। ইটের আঘাতে একেবারে চুরমার এসি কোচের জানলা। হামলায় আহত বেশ কয়েকজন বাঙালি যাত্রী। ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্কিত তাঁরা। তবে ঘটনার পরেই ঘটনাস্থলে ছুটে যান রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। পৌঁছে যান ট্রেনের নিরাপত্তায় থাকা আরপিএফ জওয়ানরাও। কে বা কারা এই ঘটনায় যুক্ত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে রাজধানীর মতো প্রিমিয়াম ট্রেনে এমন ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে যাত্রী সুরক্ষা নিয়ে।
শনিবারই নাগপুর থেকে মুম্বইগামী দুরন্ত এক্সপ্রেস লক্ষ্য করে মুহুর্মুহু ইটবৃষ্টির ঘটনা ঘটে। থার্ড এসির জানলার কাচ ভেঙে চুরমার। হামলায় আহত অন্তত ৪ যাত্রী। ভয়ংকর মুহূর্তের একাধিক ছবি এবং ভিডিও ইতিমধ্যে সমাজমাধ্যমে ভাইরাল।
আরও পড়ুন:
রবিবার দিল্লি থেকে পরিবার নিয়ে হাওড়া ফিরছিলেন বিদুর চন্দ্র। উঠেছিলেন ৪টে ৫০ মিনিটের রাজধানী এক্সপ্রেসে। তাঁদের কোচ নম্বর ছিল বি-১। সাইড লোয়ারের ১৫ এবং ১৬ ছিল সিট। বিদুরবাবুর কথায়, ঘড়ির কাঁটায় তখন ৬টা ২৮। ট্রেনটি সবেমাত্র উত্তরপ্রদেশে ঢুকেছে। হঠাৎ এসি কোচের কাচে প্রবল আওয়াজ। রিতিমতো আতঙ্কে উঠে পড়ি সিট থেকে। তাকিয়ে দেখি, একেবারে জানলার কাচ ভেঙে চুরমার। খবর পেয়েই ছুটে আসেন ট্রেনে থাকা নিরাপত্তা কর্মীরা। আসেন রেলের আধিকারিকরাও। বিদুর জানান, সঙ্গে সঙ্গে ভাঙা কাচ কোনও রকমে প্লাস্টিক দিয়ে আটকানো হয়। তবে ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্কে বিদুর চন্দ্র এবং তাঁর পরিবার। তিনি বলেন, কাচ ছিটকে এসে শরীরের বেশ কিছু জায়গায় আঘাত লেগেছে। কেটে গিয়েছে। তবে তিনি শুধু নন, ঘটনায় ট্রেনে থাকা যাত্রীরাও আতঙ্কিত বলে জানিয়েছেন ওই যাত্রী।

শনিবারই নাগপুর থেকে মুম্বইগামী দুরন্ত এক্সপ্রেস লক্ষ্য করে মুহুর্মুহু ইটবৃষ্টির ঘটনা ঘটে। থার্ড এসির জানলার কাচ ভেঙে চুরমার। হামলায় আহত অন্তত ৪ যাত্রী। ভয়ংকর মুহূর্তের একাধিক ছবি এবং ভিডিও ইতিমধ্যে সমাজমাধ্যমে ভাইরাল। যেখানে দেখা যাচ্ছে, দুরন্ত এক্সপ্রেসের জানলা ভেদ করে কামরায় ভিতরে এসে পড়ছে পাথর। সেই সঙ্গে ভাঙা কাচের টুকরোতে ভরে যায় গোটা কামরা। ছিটকে আসা কাচে আহত হন ৪ জন। উড়ে আসা পাথরটি সরাসরি কারও গায়ে বা মাথায় না লাগায় বড় কোনও দুর্ঘটনা বা প্রাণহানির মতো ঘটনা এড়ানো গিয়েছে। । এই ঘটনায় ট্রেনে যাত্রী নিরাপত্তা নিয়েও ক্ষোভ উঠে আসতে থাকে। রেল সূত্রে খবর, এই ঘটনার পরই তড়িঘড়ি পদক্ষেপ করা হয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ট্রেন থামিয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। পর্যবেক্ষণ করা হয় কামরার ভিতরে ক্ষতির পরিমাণ। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই ফের পাথরবাজদের টার্গেটে রেল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
