অষ্টম শ্রেণির এক নাবালিকা ছাত্রীর উপর দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণের অভিযোগে তার সৎ বাবা ও দাদুকে গ্রেপ্তার করল হাবড়া থানার পুলিশ। নির্যাতিতার স্কুলের শিক্ষিকাদের অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আগামীকাল, বৃহস্পতিবার ধৃতদের বারাসত আদালতে তোলা হবে।
বারুইপুরের ঘটনার পর নারী নির্যাতনের ঘটনায় তদন্তের ব্যাপারে একাধিকবার গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে পুলিশকে। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, নারী নির্যাতন সংক্রান্ত অভিযোগ আসামাত্র অ্যাকশন নিতে হবে।
আরও পড়ুন:
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হাবড়ার একটি স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ওই ছাত্রী বেশ কিছুদিন ধরে অস্বাভাবিকভাবে চুপচাপ ও অন্যমনস্ক থাকত। ক্লাসে পড়াশোনাতেও তার অমনোযোগ নজরে আসে শিক্ষিকাদের। কারণ জানতে চাইলে কান্নায় ভেঙে পড়ে সে। শিক্ষিকাদের নাবালিকা জানায়, বাড়িতে অন্য সদস্যরা না থাকলে দীর্ঘদিন ধরে সৎ বাবা ও দাদু তার উপর যৌন নির্যাতন চালাত। যা শুনে রীতিমতো শিউরে ওঠেন শিক্ষিকারা। এরপরেই আজ, বুধবার ঘটনায় কয়েকজন শিক্ষিকা হাবড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরেই শুরু হয় পুলিশি তদন্ত। শুধু তাই নয়, অভিযোগ পাওয়ার কয়েকঘণ্টার মধ্যেই দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তদন্তকারী জানান, ধৃতদের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু হয়েছে। নির্যাতিতার মেডিক্যাল পরীক্ষা এবং আদালতে গোপন জবানবন্দির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ঘটনার পর অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্কুলের শিক্ষকরাও।
নারী নির্যাতনের ঘটনায় জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। বিশেষ করে বারুইপুরের ঘটনার পর নারী নির্যাতনের ঘটনায় তদন্তের ব্যাপারে একাধিকবার গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে পুলিশকে। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, নারী নির্যাতন সংক্রান্ত অভিযোগ আসামাত্র অ্যাকশন নিতে হবে। এক্ষেত্রে যে কোনও টালবাহানা সহ্য নয়, তা স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই গাইডলাইনে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
