স্কুল ও আশেপাশে কোনও জাঙ্ক ফুড বিক্রি করা যাবে না। স্কুলের ৫০ মিটারের মধ্যে চকলেট, চিপস, মিষ্টি পানীয়, কোনও ভাজাভুজি বিক্রি করা যাবে না। চর্বি, লবণ ও চিনিযুক্ত অন্যান্য খাবার বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। শিশুদের মধ্যে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতেই এই পদক্ষেপ বলে জানানো হয়েছে। তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞাই যথেষ্ট নয়, বাড়িতে স্বাস্থ্যকর খাবারের অভ্যাস, পুষ্টি বিষয়ক শিক্ষা ও নিয়মিত শারীরচর্চার মতো বিষয়গুলিও কার্যকর করতে হবে।
মহারাষ্ট্র প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, সরকারি, সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত ও বেসরকারি—সব ধরনের স্কুলের ক্ষেত্রেই এই নির্দেশ লাগু করতে হবে। সেই সঙ্গে স্কুলগুলিকে তাদের ক্যাম্পাস থেকে অস্বাস্থ্যকর খাবার সরিয়ে ফেলতে হবে। একই সাথে ফলমূল, শাকসবজি, শস্য, ডাল ও দুগ্ধজাত খাবারের প্রাপ্যতা বাড়াতে উৎসাহিত করতে হবে।
প্রসঙ্গত, ভারতে শিশুদের স্থূলতা নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের কারণেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ‘ওয়ার্ল্ড ওবেসিটি অ্যাটলাস ২০২৬’-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী প্রায় ৪ কোটি ১০ লক্ষ ভারতীয় শিশু অতিরিক্ত ওজনের সমস্যায় ভুগছে বা স্থূলতার শিকার। মহারাষ্ট্রে ‘ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেলথ সার্ভে’-এর তথ্যে দেখা গেছে, ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে ৪.৩ শতাংশ অতিরিক্ত ওজনের সমস্যায় ভুগছে, যেখানে জাতীয় গড় হার ৩.৪ শতাংশ।
সর্বশেষ খবর
