জনরোষে আক্রান্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বতপ্রণোদিত মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। হেনস্তার অভিযোগে গ্রেপ্তার ৪। আটক আরও ৩। হামলাকারীরা প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক লাভলি মৈত্রের ঘনিষ্ঠ বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শহর থেকে দূরে থাকা লাভলি। তিনি বলেন, “ধৃতরা কেউ তৃণমূল করে না। দলকে ছবি পাঠিয়েছি।” পালটা প্রশ্ন তুলে বলেছেন তিনি বলেছেন, “একজন সাংসদের উপর হামলা হল পুলিশ কোথায় ছিল। আসেনি কেন?”
শনিবার সোনারপুরের অভিষেকের উপর আক্রমণের কাণ্ডে আকাশ গায়েন, কাজল, দেবাশিস, জয় সেনগুপ্ত নামে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বেআইনি জমায়েত, পথ আটকানো-সহ একাধিক অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই আকাশরা সোনারপুর দক্ষিণের প্রাক্তন বিধায়ক লাভলির ঘনিষ্ঠ বলে সূত্রের খবর। তাহলে প্রশ্ন উঠছে, তৃণমূলের লোকজনই কি অভিষেককে হেনস্তা করেছে?
আরও পড়ুন:
এই প্রশ্নের উত্তরে লাভলি বলেন, “আমি বাইরে রয়েছি। যাঁরা গ্রেপ্তার হয়েছেন তাঁরা কেউ তৃণমূল করে না। দলকে ছবি পাঠিয়েছি।” ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রাক্তন বিধায়ক। তিনি বলেন, “এলাকায় সাংসদ যাচ্ছেন পুলিশ নেই কেন। হামলা চালানো হল পুলিশ পৌঁছল না কেন?” এরপরই তার সংযোজন, “বাইরে না থাকলে আমি ওখানে যেতাম।” ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে, গ্রেপ্তারির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে অনুমান। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ দিকে অভিষেকের উপর হামলা ঘটনা তৃণমূলেরই পরিকল্পনা কিনা, সেই প্রশ্ন তুলেছেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। এক সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, “অভিষেককে সিআইডি ডেকেছে। সেই হাজিরা এড়াতে এই পরিকল্পিত হামলা নয়তো? রহস্য রয়েছে। পুলিশ তদন্ত করে দেখুক।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
