বিশ্বকাপে চলছে এলএম টেনের রূপকথা। অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে গোল করে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার নজির গড়েছিলেন তিনি। তার পরেও গোল করেছেন প্রতি ম্যাচেই। তাঁর নামের পাশে রয়েছে বিশ্বকাপ ২১টি গোল। এতদিন বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোলের রেকর্ডটি ছিল জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোজের নামে। কিন্তু অদ্ভুত এক সমাপতনে, সেই জার্মানির চিরশত্রু দেশ অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে গোল করেই মেসি ভাঙেন ক্লোজের রেকর্ড। যাঁর নামের পাশে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে এই রেকর্ড ছিল। সেই ইতিহাস বদলে দিয়েছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। নিজের রেকর্ড হারিয়েও মেসির প্রশংসায় প্রশংসায় পঞ্চমুখ জার্মান কিংবদন্তি।
জার্মান সংবাদমাধ্যম ও বুন্দেশলিগার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্লোজে জানিয়েছেন, মেসি তাঁর ১৬ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করার পর আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনির উদ্যোগে দু’জনের মধ্যে ফোনে কথা হয়েছে। ২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ইটালির ক্লাব লাজিওতে সতীর্থ ছিলেন ক্লোজে ও স্কালোনি। ক্লোজে বলেন, “স্কালোনি আমার প্রাক্তন সতীর্থ। এখনও আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। মেসি যখন আমার বিশ্বকাপের গোলের রেকর্ড স্পর্শ করল, তখন স্কালোনিই ফোনে কথা বলার ব্যবস্থা করে দেয়। মুহূর্তটি সত্যিই খুব আবেগঘন ছিল।”
আরও পড়ুন:
কী কথা হয়েছে দুই প্রজন্মের কিংবদন্তির মধ্যে? তিনি আরও জানান, “মেসি বলেছে, ওর সই করা জার্সি আমাকে পাঠাবে।” ২০০২ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে চারটি বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে ২৪ ম্যাচে ১৬ গোল করেছিলেন ক্লোজে। ২০১৪ বিশ্বকাপে তিনি ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনাল্ডো নাজারিওর ১৫ গোলের রেকর্ড ভেঙে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন।
অন্যদিকে, ২০২৬ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা মেসি ইতিমধ্যেই ৮ গোল করেছেন। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপে ৩১ ম্যাচে তাঁর গোলসংখ্যা এখন ২১। যা বিশ্বকাপ ইতিহাসের নতুন সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড। মেসির পরেই ১৯ গোল করে দ্বিতীয় স্থানে কিলিয়ান এমবাপে। চলতি বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়েও শীর্ষে রয়েছেন মেসি। দ্বিতীয় স্থানে থাকা কিলিয়ান এমবাপে ও আর্লিং হলান্ডের গোল ৭টি করে। আর ৬ গোল নিয়ে প্রতিযোগিতায় আছেন হ্যারি কেন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
