রাজ্যে পালাবদলের পর দিল্লিতে প্রথম বড় সমন্বয় বৈঠকে বাংলার সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে খোঁজ নিল সংঘ পরিবার। বৃহস্পতিবার রাজ্য বিজেপির সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকে বাংলার সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। যুবসমাজ ও কর্মসংস্থান, মহিলাদের নিরাপত্তা ও অংশগ্রহণ, তফসিলি জাতি-উপজাতি ও জনজাতি সমাজ, পিছিয়ে থাকা এলাকার উন্নয়ন এবং সমাজের বিভিন্ন অংশের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর মতো বিষয়গুলি এদিন আলোচনায় উঠে এসেছে।
সমাজের কোন অংশে সরকারের প্রভাব কতটা পৌঁছেছে, কোথায় সংগঠনের যোগাযোগ আরও বাড়ানো প্রয়োজন, কোন শ্রেণি-পেশা বা এলাকার মানুষের মধ্যে কী ধরনের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে-এই প্রশ্নগুলিই আলোচনার কেন্দ্রে ছিল বলে সূত্রের খবর। পাশাপাশি সরকারের সঙ্গে দলীয় সংগঠনের তালমিল, আগামী দিনের রাজনৈতিক কর্মসূচি এবং সাংগঠনিক বিস্তার নিয়েও আলোচনা হয়। বিশেষ করে ভোটের সময় তৈরি হওয়া সংগঠনের কাঠামোকে কীভাবে প্রশাসনের কাজের সঙ্গে সমন্বয় করে আরও সক্রিয় রাখা যায়, তা নিয়ে মতবিনিময় হয়েছে।
আরও পড়ুন:
রাজ্যে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারের সামনে সামাজিক সমীকরণ, বিভিন্ন স্তরের মানুষের সঙ্গে ধারাবাহিক| যোগাযোগ এবং নিচুতলায় সরকারের গ্রহণযোগ্যতা-এই তিন ক্ষেত্রেই নজর রাখার জন্যও সংঘের তরফ থেকে বার্তা দেওয়া হয়েছে বলেই সূত্রের খবর।
সংঘের বার্তা, সরকার ক্ষমতায় এসেছে মানেই কাজ শেষ নয়। সরকারের সিদ্ধান্ত ও প্রকল্পের সুফল সমাজের শেষ প্রান্তের মানুষের কাছে পৌঁছচ্ছে কি না, তা সংগঠনকে নিয়মিত নজরে রাখতে হবে। একই সঙ্গে মানুষের স্থানীয় সমস্যা ও ক্ষোভের কথাও সরকারের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। অর্থাৎ প্রশাসন এবং সংগঠনের মধ্যে দ্বিমুখী যোগাযোগ আরও মজবুত করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এদিন সন্ধ্যায় দিল্লির অশোক রোডে বৈঠকে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, বিজেপির সর্বভারতীয় সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক বি এল সন্তোষ এবং সংঘের সহ-সরকার্যবাহ অরুণ কুমার, রাজ্য বিজেপির সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তীও।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
