বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে টানাপোড়েনের মাঝে উঠে এল নতুন এক জল্পনা। সোমবার ঢাকায় সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়কমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। সেই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে মিন্টু আশা প্রকাশ করেছেন বলে খবর। তবে এনিয়ে বিশদে কিছু বলতে চাননি ত্রিবেদী। তাঁর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য, ‘‘আমরা অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী। সঠিক সময়ে সব আয়োজন হবে।’’
চলতি মাসেই ব্রিকস সম্মেলনের আয়োজন করছে নয়াদিল্লি। তাতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। ব্রিকসের আগেই তারেকের এদেশে আসার কথা থাকলেও সফর হয়নি। এর নেপথ্যে একাধিক কূটনৈতিক কারণ উঠে এসেছিল। যদিও বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনারের দীনেশ ত্রিবেদী এ বিষয়ে লাগাতার দৌত্য করে চলেছেন। সোমবার পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে সাক্ষাৎ, বৈঠক তারই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। বৈঠক শেষে ত্রিবেদী জানান, ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য সবসময় ভারত সফরের আমন্ত্রণ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও বিষয়টি জানেন। দু’দেশের মধ্যে বিদ্যমান সুসম্পর্ক ও সহযোগিতার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
আরও পড়ুন:
দু’দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে বৈঠকের সম্ভাবনা সম্পর্কে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, ‘‘পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার কার্যক্রম থেমে থাকার কোনও কারণ নেই। শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক আজ না হলেও ভবিষ্যতে হতে পারে। তবে শুধু শীর্ষ বৈঠকের অপেক্ষায় না থেকে দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থের বিষয়গুলোতে বাস্তব অগ্রগতি এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন।’’ দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে বৈঠক শেষে পরিবেশমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক সমীকরণের চেয়ে দুই দেশের জনগণের স্বার্থ এবং পারস্পরিক বাণিজ্যিক ও পরিবেশগত নির্ভরতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই কোনও পক্ষ থেকেই সহযোগিতার প্রক্রিয়া থেমে থাকবে না। আধিকারিক পর্যায়ের আলোচনা ও যৌথ উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
