শুরু তারাপীঠ মন্দির সংস্কারের কাজ, বাড়ছে গর্ভগৃহের দরজা ও বেদির উচ্চতা

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু বহু প্রতীক্ষিত মা তারার গর্ভগৃহ সংস্কারের কাজ। ভক্তদের কথা মাথায় রেখে মা তারার মূল গর্ভগৃহের দরজা প্রায় এক ফুট উঁচু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মূল বেদির উচ্চতাও প্রায় আট ইঞ্চি বাড়ানো হচ্ছে। এই কাজ সম্পূর্ণ হলে নাটমন্দিরে দাঁড়িয়েই ভক্তরা অপেক্ষাকৃত স্বচ্ছন্দে মা তারার দর্শন করতে পারবেন বলে মনে করছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। খুব দ্রুতই মন্দির সংস্কারের কাজ শেষ হবে। গর্ভগৃহ সংস্কারের কারণে ‘মা তারা’কে সাময়িকভাবে অন্যত্র রাখা হলেও পুজোর নিয়মে কোনও ছেদ পড়ছে না।

মন্দির কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, সোমবার রাত ১০টার পর মূল গর্ভগৃহ থেকে মা তারাকে সরিয়ে মন্দির চত্বরের শিবমন্দিরে স্থাপন করা হয়েছে। গর্ভগৃহ সংস্কারের কারণে মা তারাকে সাময়িকভাবে অন্যত্র রাখা হলেও পুজোর নিয়মে কোনও ছেদ পড়ছে না। শিবমন্দিরেই প্রতিদিন নির্দিষ্ট রীতি মেনে পুজো, ভোগ ও অন্যান্য ধর্মীয় আচার সম্পন্ন করা হচ্ছে। একইসঙ্গে ভক্তদের পুজো দেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। যাতে সংস্কার চলাকালীন তারাপীঠে আসা পুণ্যার্থীদের ধর্মীয় আচার পালনে অসুবিধা না হয়। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় বলেন, “পুণ্যার্থীদের দর্শনের সুবিধার কথা মাথায় রেখেই গর্ভগৃহের দরজা ও বেদির উচ্চতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার থেকেই সেই কাজ শুরু হয়েছে।”

আরও পড়ুন:

সংস্কারের কাজ শেষ হওয়ার পর মা তারাকে ফের মূল গর্ভগৃহে প্রতিষ্ঠা করা হবে। আর নতুন ব্যবস্থায় নাটমন্দির থেকে ভক্তদের দর্শন আরও সহজ হবে বলেই মনে করছে মন্দির কমিটি। উল্লেখ্য, তারাপীঠে সারা বছরই দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রচুর ভক্তের সমাগম হয়। বিশেষ তিথি ও উৎসবের সময় সেই ভিড় আরও কয়েক গুণ বেড়ে যায়। মন্দির সংস্কারের পর সেই সমস্যা অনেকটাই মিটে যাবে বলে আশাবাদী মন্দির কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *