শুধু সুখেন্দুশেখররা নন, বিরোধী দল থেকে অন্তত ২৫ রাজ্যসভা সাংসদ ভাঙিয়েছে বিজেপি, উদ্দেশ্য কী?

শুধু সুখেন্দুশেখররা নন, বিরোধী দল থেকে অন্তত ২৫ রাজ্যসভা সাংসদ ভাঙিয়েছে বিজেপি, উদ্দেশ্য কী?

রাজ্য/STATE
Spread the love


সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশচিক বরাইক। তৃণমূলের তিন প্রাক্তন রাজ্যসভা সাংসদের বিজেপিতে যোগ এবং সঙ্গে সঙ্গে রাজ্যসভার টিকিট পেয়ে যাওয়া। এ নিয়ে রাজ্য বিজেপির একাংশে কিছুটা হলেও অসন্তোষের আঁচ পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু পরিসংখ্যান বলছে, শুধু তৃণমূলের ক্ষেত্রে নয়। রাজ্যসভার সাংসদদের গ্রহণ করার ক্ষেত্রে বিজেপি বরাবরই উদার। রাজনৈতিকভাবে চরম বিরোধীদেরও দলে নিতে কুন্ঠা করেনি বিজেপি।

স্রেফ গত কয়েক বছরে বিরোধী শিবিরের অন্তত ২৫ জন রাজ্যসভা সাংসদকে দলে নিয়েছে বিজেপি। এঁদের মধ্যে কেউ সরাসরি বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন সদলবলে। কেউ ইস্তফা দিয়ে বিজেপির টিকিটে ফের রাজ্যসভায় যাচ্ছেন।

আরও পড়ুন:

হিসাব বলছে, স্রেফ গত কয়েক বছরে বিরোধী শিবিরের অন্তত ২৫ জন রাজ্যসভা সাংসদকে দলে নিয়েছে বিজেপি। এঁদের মধ্যে কেউ সরাসরি বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন সদলবলে। কেউ ইস্তফা দিয়ে বিজেপির টিকিটে ফের রাজ্যসভায় যাচ্ছেন। প্রথম মডেলটি কাজ করেছে টিডিপি, আম আদমি পার্টি এবং ওয়াইএসআর কংগ্রেস পার্টির ক্ষেত্রে। কারণ ওই দুই দলের সাংসদদের নতুন করে নির্বাচিত করে নিয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি বিজেপির ছিল না। যে রাজ্য থেকে তাঁরা নির্বাচিত সেই রাজ্যগুলিতে তাঁদের যথেষ্ট সংখ্যক বিধায়ক ছিলেন না। এই মডেলে যারা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য রাঘব চাড্ডা, হরভজন সিংরা।

At Least 25 Rajya Sabha MP joined BJP in past years
বিজেপিতে সুখেন্দুশেখর। ফাইল ছবি।

আরেকটি মডেল হল বাংলার মতো। যেখানে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার আগে সাংসদরা ইস্তফা দিচ্ছেন। ওই আসনের উপনির্বাচনে আবার তাঁদেরই নির্বাচিত করে আনছে গেরুয়া শিবির। অর্থাৎ অন্য দলের সাংসদ থেকে রাতারাতি তাঁরা বিজেপির সাংসদ হয়ে যাচ্ছেন। এই মডেলে ভাঙন ধরানো হয়েছে বিজেডি, তৃণমূলের ক্ষেত্রে। সদ্যই তৃণমূলের ৩ সাংসদ এই মডেলে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন।

আসলে বিজেপি চাইছে যেভাবেই হোক রাজ্যসভায় এনডিএর সাংসদ সংখ্যা দুই তৃতীয়াংশে পৌঁছে দিতে। কারণ বিভিন্ন সংবিধান সংশোধনী বিলের জন্য দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন। বিজেপি সূত্র বলছে, সংসদীয় গণতন্ত্রে অনেক সময় অনিচ্ছা সত্ত্বেও আপস করতে হয়। এই মুহূর্তে দলের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল সংবিধান সংশোধনী আইনগুলিকে পাশ করানো। সেকারণেই বাছবিচার না করে সাংসদদের দলে ভেড়ানো হচ্ছে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *