Phansidewa Toll Plaza BJP chaos | টোল প্লাজায় বিজেপি কর্মীদের তাণ্ডব, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে রাজনৈতিক শোরগোল

Phansidewa Toll Plaza BJP chaos | টোল প্লাজায় বিজেপি কর্মীদের তাণ্ডব, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে রাজনৈতিক শোরগোল

শিক্ষা
Spread the love


ফাঁসিদেওয়াঃ ঘোষপুকুর ও বিধাননগরের মাঝে ২৭ নম্বর জাতীয় সড়কের পশ্চিম মাদাতী টোল প্লাজায় বিজেপি কর্মীদের বিশৃঙ্খলার একটি সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল হতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে (Phansidewa Toll Plaza BJP chaos)। ভিডিওটিতে দেখা গিয়েছে, একদল বিজেপি কর্মী টোল প্লাজার অফিসে ঢুকে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে হাতাহাতি ও মারধর করছেন। যদিও ভিডিওটির সত্যতা উত্তরবঙ্গ সংবাদ যাচাই করেনি।

জানা গিয়েছে, টোল প্লাজায় কর্মী নিয়োগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের ক্ষোভ দীর্ঘদিনের। বৃহস্পতিবার এই ক্ষোভই চরম আকার ধারণ করে। ফাঁসিদেওয়ার মণ্ডল সভাপতি সঞ্জীব দাস এবং জালাস নিজামতারা মণ্ডল সভাপতি বিশ্বনাথ রায়ের নেতৃত্বে দলীয় কর্মীরা টোল প্লাজায় চড়াও হন। অভিযোগ, কর্মী নিয়োগের দাবিতে টোল কর্মীদের ওপর চড়াও হন তাঁরা।

তৃণমূল জমানায় টোল প্লাজায় দুর্নীতির অভিযোগ তুলে এই ঘটনার সাফাই দিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক দুর্গা মুর্মু। তবে তিনি নিজের দলের লোকেদের কাজে নেওয়ার জন্য টোল কর্তৃপক্ষকে চাপ দেওয়ার কথাও স্বীকার করে নিয়েছেন। এমনকী ফাঁসিদেওয়া থানার ওসির সামনেই তিনি টোল কর্মকর্তাকে ডেকে নিয়োগের বিষয়ে কথা বলেছিলেন বলে বিধায়ক নিজেই কবুল করেছেন। বিজেপির বিধায়কের এই ভূমিকা প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, তৃণমূলের মতো বিজেপিও কি তবে এখন স্বজনপোষণের রাজনীতি করছে?

এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ফাঁসিদেওয়া পঞ্চায়েত সমিতির সহসভাপতি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রণবেশ মণ্ডল বলেন, “বিজেপি অহিংসার রাজনীতি করার কথা বলে, অথচ তাদের কর্মকাণ্ড তৃণমূলের আমলের মতোই। এই ঘটনা একেবারেই কাম্য নয়।”

শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অরুণ মণ্ডল এই ঘটনাকে ‘অনভিপ্রেত’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি সাফ জানিয়েছেন, “বিজেপিকে তৃণমূল হতে দেব না। ঘটনার তদন্ত করে দলের অনুশাসন অনুযায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত এই ঘটনা নিয়ে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। তবে ভাইরাল ভিডিও এবং বিধায়কের মন্তব্যের পর স্থানীয় স্তরে বিজেপি নেতৃত্বের নৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *