পূর্বপল্লির মাঠেই আয়োজিত হতে চলেছে ছ’দিনের শান্তিনিকেতনের পৌষমেলা। মূল শর্ত, মেলা শেষে ৪৮ ঘণ্টায় মাঠ ফেরাতে হবে। ১৫ নভেম্বর থেকে স্টল বুকিং শুরু। বিশ্বভারতী- জেলা প্রশাসনের বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। গত বছরের ধারা বজায় রেখেই এবারও শান্তিনিকেতনের ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলার আয়োজিত হতে চলেছে। বুধবার সন্ধ্যা থেকে রাত্রি পর্যন্ত বিশ্বভারতী ও জেলা প্রশাসনের মধ্যে দীর্ঘ বৈঠকে মেলার স্থান ও আয়োজন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়।
মেলা পরিচালনায় সব রকম সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে জেলা প্রশাসন। তবে মেলা শেষ হওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পূর্বপল্লীর মাঠকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়ার শর্তও থাকছে। মেলার আয়োজন, পরিকাঠামো, পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা সবক্ষেত্রেই এবার বিশেষ নজর দিতে চলেছে বিশ্বভারতী। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য প্রবীরকুমার ঘোষ, কর্মসচিব বিকাশ মুখোপাধ্যায়, জেলাশাসক ধবল জৈন, বোলপুরের মহকুমাশাসক ব্রততী দত্ত, এসডিপিও অর্পিত আর পারাখ-সহ শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট এর সদস্যরা ও জেলা প্রশাসনের আধিকারিকেরা। জেলা পুলিশ সুপার ভিদিত রাজ ভুন্দেশ অনলাইনে বৈঠকে যোগ দেন।
আরও পড়ুন:
বৈঠক শেষে উপাচার্য প্রবীরকুমার ঘোষ জানান, “এবারও পৌষমেলা ছয়দিন ধরে চলবে। ১৫ নভেম্বর থেকে শুরু হবে মেলার স্টল বুকিং। গত বছরের মতো এবারও অনলাইনে স্টল বুকিংয়ের ব্যবস্থা থাকছে। ক্ষুদ্র ও হস্তশিল্পীদের মেলায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। মেলা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য পর্যটকদের কাছে পৌঁছে দিতে তৈরি করা হচ্ছে একটি নতুন ওয়েবসাইট। সেখানে মেলা সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যাবে। মেলার মাঠের পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাতেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার দায়িত্বে থাকবে বোলপুর পুরসভা। মেলা শেষের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মাঠের পরিকাঠামো সরিয়ে পূর্বপল্লীর মাঠকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। “
ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিবেশ রক্ষায় ভারসাম্য বজায় রাখার বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্বভারতী ও জেলা প্রশাসন। আর দূরদূরান্তের পর্যটকদের কথা মাথায় রেখেই শান্তিনিকেতনের পৌষমেলার ঐতিহ্যের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রেখেই ছ’দিনের উৎসবকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ এবং শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
