বাম জমানা, তৃণমূল কংগ্রেসের বিদায় হয়ে এবার বঙ্গে বিজেপি সরকার। কখনও পার্টির অফিসের গায়ে দেখা গিয়েছে লাল ঝান্ডা। তৃণমূল জমানায় দেওয়ালের রং বদলায়। দলীয় পতাকাও বদলে গিয়েছে। রাজ্যে বিজেপি সরকার আসার পর সেই কার্যালয়ের রং এবার গেরুয়া। রাজ্যের শাসক দলের পালাবদলে একই পার্টি অফিস তিনবার হাত ও রং-বদল হয়েছে। হুগলির চুঁচুড়ার এই পার্টি অফিস নিয়েই শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
বাম আমলে হুগলির চুঁচুড়ার খাঁদিনা মোড়ে সিপিএমের শ্রমিক সংগঠন সিটু-র অফিস ছিল এই বাড়ি। ২০১১ সালে সরকার বদলের পর তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসে। সেই অফিস তৃণমূল দখল করেছিল বলে অভিযোগ। চুঁচুড়ার তৎকালীন বিধায়ক অসিত মজুমদার অফিস হিসেবে সেটি ব্যবহার করতে শুরু করেন। এবার রাজ্যে পালাবদলের পর বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে। এবার নির্বাচনে অসিত তৃণমূলের টিকিট পাননি। এদিকে চুঁচুড়া বিধানসভাও হাতছাড়া হয় তৃণমূলের।
আরও পড়ুন:
বঙ্গে পালাবদলের পরে অসিত মজুমদার বামেদের শ্রমিক সংগঠন সিটুকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। বহু বছর পর সেই কার্যালয়ে ফের লাল পতাকাও উড়েছিল। কিন্তু ফের সেই কার্যালয়ের হাতবদল হল। সিটু থেকে ওই কার্যালয় বিজেপির হাতে এল। চুঁচুড়ার বিজেপি বিধায়ক সুবীর নাগ তার উদ্বোধনও করেন। তিনি বলেন, “বিজেপি মানুষকে পরিষেবা দেবে এই অফিস থেকে।” এই কার্যালয় নেওয়া হল কেন? বিধায়কের যুক্তি, “তৃণমূল ফিরিয়েছিল। সেই তৃণমূলের আর কোনও অস্তিত্ব নেই। আর বামেদের কোনও লোক নেই। তারা রাজ্যে যেদিন পঞ্চাশটা আসন পাবে, পার্টি অফিস ফিরিয়ে দেব। এখন বিজেপি এই অফিস থেকে পরিষেবা দেবে।”
সিটু নেতা সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় পালটা বলেন, “যেদিন বামেরা পঞ্চাশ আসন পাবে, সেদিন বিজেপি থাকবে না। ওরাও তৃণমূলের মতো দখলের রাজনীতিই করছে। শুধু খাঁদিনা মোড়ে নয়, চুঁচুড়ার একাধিক অফিস দখল করেছে। কথায় আর কাজে মিল নেই বিজেপির। তাই অন্যের অফিস দখল করতে হয়।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
