নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর দু’টি আসনেই জয় পাবে বিজেপি। উপনির্বাচন শেষে আত্মবিশ্বাসী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, গত বিধানসভা নির্বাচনের থেকে নন্দীগ্রামে জয়ের ব্য়বধান বাড়বে। তাঁর থেকেও বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ ৫-৬ গুণ বেশি মার্জিনে জিতবেন। রেজিনগরের বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকারও ১ লক্ষ ২০ হাজারের বেশি ভোট পাবেন বলে আশাবাদী তিনি। শুভেন্দুর পূর্বাভাস, নন্দীগ্রামের পাশাপাশি সন্তোষজনক মার্জিনে রেজিনগরেও জয় পাবে বিজেপি।
রাজ্যের দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচন শেষে মুখ্যমন্ত্রী এদিন জানান, রেজিনগরে সংখ্যালঘু মহিলা ও যুবকরা বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন। সংখ্যালঘু প্রবীনরা কংগ্রেস ও আম জনতা উন্নয়ন পার্টিকে ভোট দিয়েছে। এই নির্বাচনে তৃণমূল ও বামেদের কোনও অস্তিত্বই ছিল না বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, সংখ্যালঘু মহিলাদের বলা হয়েছিল, বিজেপি এলে মুসলিমদের বঞ্চিত করা হবে। রাজ্যে ১ কোটি ৫৮ লক্ষ অন্নপূর্ণা যোজনার প্রাপকদের মধ্যে ২৪ লক্ষ মুসলিম রয়েছেন। রেজিনগর ও নন্দীগ্রামের অন্নপূর্ণা প্রাপক ৯০ শতাংশ মুসলিম মহিলারা বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন বলে আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়াও আবাস যোজনার সংখ্যালঘু উপভোক্তারাও বিজেপিকে সমর্থন করেছেন বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুন:
তাঁর কথায়, “নন্দীগ্রামে সিপিআই এক-দেড় হাজার ভোট পাবে কি না সন্দেহ আছে। রেজিনগরে সিপিএম নোটার নিচেও থাকতে পারে। দুই জায়গাতেই বামেদের কোনও অস্তিত্ব ছিল না। একই অবস্থা তৃণমূলেরও।”
উল্লেখ্য, বদলের বাংলায় আরও একবার উৎসবের মেজাজে ভোট দেখল বাংলা। বাংলায় ভোট মানে হিংসা, বোমাবাজি! গত দেড় দশক ধরে যা কার্যত ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে বাংলায়। কেন্দ্রীয় নিরাপত্তায় একেবারে নজিরবিহীন ভোট হয়। ভোটের হারও ছিল নজরকাড়ার মতো। আর পালাবদলের পর প্রথম ভোট ছিল আজ। মঙ্গলবার নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরের উপনির্বাচনে (By-Election 2026) সকাল থেকে মানুষ একেবারে উৎসবের মেজাজে ভোট দিয়েছে। অন্তত বিকেল ৫টা পর্যন্ত যে ভোটের শতাংশ সামনে এসেছে, তাতেই তা স্পষ্ট। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ৫টা পর্যন্ত নন্দীগ্রাম, রেজিনগরে ভোটদানের হার প্রায় ৮০ শতাংশ। যদিও বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটের নামে প্রসহন হয়েছে। নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর দু’জায়গাতেই রিগিং হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগ সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি। ভোটশেষে নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে পূর্বাভাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
