রথযাত্রায় কলকাতায় কাজল, বৃষ্টিস্নাত শহরে কেন বঙ্গতনয়ার ‘ঝলমলে’ আবির্ভাব?

রথযাত্রায় কলকাতায় কাজল, বৃষ্টিস্নাত শহরে কেন বঙ্গতনয়ার ‘ঝলমলে’ আবির্ভাব?

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


এযাবৎকাল একের পর এক বলিউড তারকাদের কলকাতায় আনাগোনা লেগেই রয়েছে। গত ৯ জুলাই বৃহস্পতিবার প্রবল বৃষ্টিমুখর দিনে মায়ানগরী থেকে মহানগরে এসেছিলেন বলিউড পরিচালক ইমতিয়াজ আলি। সৌজন্যে ‘ম্যায় ওয়াপস আউঙ্গা’র প্রচার। ঠিক এক সপ্তাহ পর ১৬ জুলাই রথযাত্রায় এমনই এক বৃষ্টিস্নাত দিনে শহরে পা রাখলেন বলি অভিনেত্রী কাজল।

এর মাঝে অবশ্য প্রযোজক ভাইয়ের সঙ্গে নিজের ছবির প্রচার সেরেছেন গর্জিয়াস ডিভা হুমা কুরেশি। তবে লক্ষ্মীবারে ‘লক্ষ্মীমেয়ে’ কাজলের আচমকা কেন আর্বিভাব সেটা অবশ্য এখনও জানা যায়নি। এদিন কলকাতা বিমানবন্দরে পা রাখতেই আলোকচিত্রীদের ক্যামেরার ফ্ল্যাশ ব্লাবের ঝলকানি। তবে চোখে মুখে কোনও বিরক্তির ছাপ ছিল না। বরং হাসিমুখেই বিমানবন্দর ছাড়েন কাজল। সেখান থেকে বেরিয়ে গাড়ি উঠে পড়েন তনুজাকন্যা।

আরও পড়ুন:

কলকাতায় কাজল। ছবি: গোপাল দাস

এদিন তাঁর পরনে ছিল ধূসর রঙের সাটিনের জাম্পসুট। সঙ্গে হিল জুতো আর রোদচশমা। ক্যামেরায় ধরা পড়েছে জাম্পসুটের পকেটে আটকে থাকা চুলের সাদা রঙের ক্ল্যাচার। খোলা চুল যেন কাজলের মার্জিত সাজে যোগ করেছে বাড়তি মাত্রা! তবে কী কারণে কলকাতায় হঠাৎ আগমন? বিমানবন্দরে বারবার একই প্রশ্নের সম্মুখীন হলেও মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন অভিনেত্রী।

গতবছর পরপর বেশ কয়েকটি কাজ করেছেন কাজল। ওয়েব সিরিজ ‘দ্য ট্রায়াল’-এর দ্বিতীয় সিজন ছিল সেগুলোর মধ্যে অন্যতম। চলতি বছরে এই সিরিজের তৃতীয় ভাগ মুক্তি পাওয়ার কথা। সেই উদ্দেশেই কলকাতায় কিনা তা নিয়েও চলছে কানাঘুষো। এই সিরিজে বাঙালি অভিনেতা যিশু সেনগুপ্তের সঙ্গে কাজলের ঠোঁটঠাসা চুম্বনে ঝড় তুলেছিলেন অজয়পত্নী।

হাসিমুখে কলকাতায় বাঙালি অভিনেত্রী। ছবি: গোপাল দাস

চর্চার আঙিনায় উঠে এসেছিল কাজল-যীশুর রোম্যান্স। কেন দীর্ঘ তিন দশকের কেরিয়ারে ‘নো-কিসিং’ নীতি ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এই বাঙালি অভিনেত্রী? চর্চার মাঝে কাজলের স্পষ্ট যুক্তি, চরিত্র এবং চিত্রনাট্যের প্রয়োজনেই নীতি ভাঙতে বাধ্য হয়েছিলেন। অভিনেত্রীর সাফাই, “দৃশ্যটি হঠাৎ করে সিরিজে যোগ করা হয়নি বরং চরিত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। এটা শুধু একটা চুম্বন ছিল না, আমার চরিত্রটাকে দর্শকের সামনে উপযুক্ত করে তোলার প্রয়োজনীয় উপাদান। চিত্রনাট্যের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল তাই এই অংশটুকু বাদ দিলে চরিত্রের একটা বড় অংশই বাদ চলে যেত। তাই একজন পেশাদার শিল্পী হিসেবে আমি সিদ্ধান্ত বদলেছি।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *