যৌন হেনস্তা মামলায় ব্রিজভূষণকে ফের চ্যালেঞ্জ, ‘বেকসুর খালাস’ রায়ের বিরুদ্ধে আদালতে কুস্তিগিররা

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


মহিলা কুস্তিগিরদের যৌন হেনস্তার অভিযোগ বেকসুর খালাস পেয়েছেন। কিন্তু ব্রিজভূষণ শরণ সিংয়ের বিরুদ্ধে ফের আদালতে গেলেন মহিলা কুস্তিগিররা। যে আদালত ব্রিজভূষণকে বেকসুর খালাস করেছিল, সেই আদালতেই নতুন করে কুস্তিগিররা আবেদন করেছেন। দ্রুতই সেই আবেদনের শুনানি হতে চলেছে রাউজ অ্যাভেনিউ কোর্টে। কুস্তিগিরদের আবেদনে বলা হয়েছে, চিরাচরিত ধারণার বশবর্তী হয়ে ব্রিজভূষণকে বেকসুর খালাস করা হয়েছে।

২০২৩ সালে ভারতের কুস্তি ফেডারেশনের তৎকালীন সভাপতি ব্রিজভূষণের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ আনেন ৬ মহিলা কুস্তিগির। লাল কেল্লার সামনে বসে বিচার চেয়ে ধরনা শুরু করেন দেশের প্রথম সারির কুস্তিগিররা। এমনকী ধরনাস্থল থেকেই অলিম্পিকের প্রস্তুতি শুরু করেন ভিনেশ। ফাইনালেও ওঠেন। চলতি বছর মে মাসে ভিনেশ ঘোষণা করেন, যে ৬ জন মহিলা কুস্তিগির ব্রিজভূষণের যৌন হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে তিনি নিজেও রয়েছেন। কিন্তু ৩ আগস্ট আদালত বেকসুর খালাস করে দেয় ব্রিজভূষণকে।

আরও পড়ুন:

দিল্লির রাউজ অ্যাভেনিউ আদালতের অতিরিক্ত মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট অশ্বিনী পানওয়ার জানান, মামলায় যে প্রমাণ ও সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে, তা দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করা যায়নি। তাই ব্রিজভূষণ ও বিনোদ তোমর, দু’জনকেই বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ভিনেশ জানিয়েছিলেন, এই রায়ের বিরুদ্ধে আইনি পথে লড়াই চালিয়ে যাবেন কুস্তিগিররা। রাউজ অ্যাভেনিউ আদালতে কুস্তিগিরদের আবেদন শুনবেন বিশেষ বিচারক বিনয় সিং।

কুস্তিগিরদের আবেদনে বলা হয়েছে, নির্যাতিতারা যৌন হেনস্তার ঘটনায় কী করেছেন,সেই বিষয়ে পুরনো দিনের ধ্যানধারণার উপর বেশি গুরুত্ব দিয়ে মামলার রায় ঘোষণা হয়েছে। নির্যাতিতাদের বয়ান বা তথ্যপ্রমাণকে মোটেই গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। আগামী দিনে যেন তথ্য়প্রমাণ খতিয়ে দেখা হয়, আদালতের কাছে এমনটাই আবেদন কুস্তিগিরদের। যদিও রায় ঘোষণার পর আদালত চত্বরেই স্বস্তির সুরে ব্রিজভূষণ বলেছিলেন, “আদালত আমাকে খালাস দিয়েছে। আমি সেদিন বলেছিলাম, দোষী প্রমাণিত হলে আমি আত্মহত্যা করব। আজ খালাস পেয়ে আমি মুক্তভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছি।” অযোধ্যায় একেবারে বীরের মর্যাদায় স্বাগত জানানো হয়েছিল ব্রিজভূষণকে। 

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *