যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যই মূল। আর সেকথা মাথায় রেখে শিয়ালদহ ডিভিশনের ভগবানগোলায় ট্রেনের স্টপেজ সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী রেল। দীর্ঘদিন ধরে লালগোলাগামী এক্সপ্রেস ট্রেনগুলিকে ভগবানগোলা স্টেশনে একই প্ল্যাটফর্মে দু’বার থামতে হত। কারণ প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য পুরো দৈর্ঘ্যের ট্রেন রাখার জন্য পর্যাপ্ত ছিল না। তার ফলে শিয়ালদহ – লালগোলা ভাগীরথী এক্সপ্রেস এবং কলকাতা – লালগোলা হাজারদুয়ারী এক্সপ্রেস ভগবানগোলা স্টেশনে দাঁড়ানো নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হত। সে সমস্যা দূর করতে শিয়ালদহ ডিভিশনের ভগবানগোলায় পরিকাঠামোগত উন্নয়ন করা হয়েছে।
ইতিমধ্যে ১ এবং ২ নম্বর প্ল্যাটফর্ম উঁচু করা ও সম্প্রসারণের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য ৩৫০ মিটার থেকে বাড়িয়ে ৩৮৫ মিটার করা হয়েছে। প্ল্যাটফর্ম শেড বসানোর কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে। এছাড়া প্রতিদিনের ক্রমবর্ধমান ভিড় সামলাতে একটি নতুন বুকিং কাউন্টার তৈরি হচ্ছে। যেখানে ৩টি সাধারণ কাউন্টার এবং ১টি দিব্যাঙ্গদের কাউন্টার থাকবে। একটি নতুন ও আধুনিক শৌচালয়ের কাজও শেষ পর্যায়ে।
আরও পড়ুন:
শিয়ালদহ–বহরমপুর ডিভিশনে যাত্রী স্বাচ্ছ্যন্দে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। তাই শুধু ভগবানগোলা নয়। বেলডাঙা স্টেশনের ২ ও ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মে যাত্রী শেড তৈরি করা হচ্ছে। যাতে রোদ, ঝড়বৃষ্টি থেকে রেহাই পান যাত্রীরা। এছাড়া ফার্স্ট ক্লাস ওয়েটিং হলের সংস্কারের বন্দোবস্ত করা হচ্ছে। ২ ও ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মে নতুন বসার বেঞ্চ বসানোর হচ্ছে। মুর্শিদাবাদ, ভাবতা, জিয়াগঞ্জ এবং পীরতলা স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণ, প্ল্যাটফর্ম শেড এবং নতুন বসার বেঞ্চ-সহ যাত্রী পরিষেবার কাজ শেষ পর্যায়ে। এই প্রসঙ্গে শিয়ালদহের ডিআরএম রাজীব স্যাক্সেনা বলেন, “এই পরিকাঠামোগত উন্নতিগুলি স্টেশনের আধুনিকীকরণ, ট্রেনের সময় ঠিকমতো বজায় রাখা এবং শিয়ালদহ ডিভিশনের সমস্ত যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্যের কথা মাথায় রেখে এই উদ্যোগ।” রেলের এই উদ্যোগে খুশি যাত্রীরা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
