সোশাল মিডিয়ার ‘পরীক্ষা’য় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের রিপোর্ট কার্ড, ‘ফ্রেন্ডস’ ভিডিও ডিলিটেও ফার্স্ট বয় মোদি!

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


তাঁর তুমুল জনপ্রিয় ভিডিও সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল ইনস্টাগ্রাম থেকে। তবু সোশাল মিডিয়ার ‘পরীক্ষা’য় ফার্স্ট হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই! সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সোশাল মিডিয়ার কার্যকলাপ নিয়ে সম্প্রতি রিপোর্ট কার্ড তৈরি করা হয়েছে। প্রায় সাড়ে তিনমাসের যাবতীয় তথ্য খতিয়ে দেখে তৈরি হয়েছে এ রিপোর্ট কার্ড।

সূত্রের খবর, ১ মে থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সমস্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সোশাল মিডিয়া পারফরম্যান্স দেখা হয়েছে। শুধু মন্ত্রীরা নন, একেবারে তৃণমূল স্তর পর্যন্ত নেতারা সোশাল মিডিয়ায় কেমন কাজ করেছেন তারও মূল্যায়ন করা হয়েছে। কীসের ভিত্তিতে হল এই মূল্যায়ন? সূত্রের খবর, মূলত এক্স, ইনস্টাগ্রাম এবং ফেসবুকে এই নেতাদের কাজকর্ম খতিয়ে দেখা হয়েছে। দিনে কে কত পোস্ট করলেন, সেই পোস্টে কতখানি এনগেজমেন্ট হল, পোস্টপিছু গড়ে কত এনগেজমেন্ট-সমস্তই মূল্যায়ন করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, পোস্টপিছু লাইক এবং ফলোয়ার সংখ্যাও হিসাব করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:

যাবতীয় মূল্যায়ন শেষে ফার্স্ট হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। উল্লেখ্য, যে সময়ে সোশাল মিডিয়ার মূল্যায়ন হয়েছে তার অধিকাংশ সময়জুড়ে চলছিল নিটের প্রশ্নফাঁস বিরোধী আন্দোলন। তার মধ্যেই সোশাল মিডিয়ায় বেশ সক্রিয় হতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীকে। নিট প্রশ্ন ফাঁসে কড়া পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়ে মাঝরাতে ভিডিও পোস্ট করেন। যুবসমাজকে অভিহিত করেন ‘ফ্রেন্ডস’ বলে। মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই ইনস্টাগ্রামে মোদির ভিডিওটির ভিউ ২৭১ মিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়। লাইক পড়েদেড় কোটি! কমেন্ট জমা পড়ে ১৩ লক্ষের চেয়েও বেশি।

ওই ভিডিওর জেরে রাতারাতি মোদির ফলোয়ার সংখ্যা ১০১ মিলিয়ন থেকে বেড়ে ১০২তে পৌঁছে যায়। কিন্তু সেই ভিডিওটিই মুছে দেয় মেটা! আচমকাই দেখা যায়, মোদির পোস্ট করা ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় আর নেই। গোটা ঘটনায় শুরু হয় প্রবল বিতর্ক। মেটাকে কড়া বার্তা দেয় কেন্দ্র। পাশাপাশি সোশাল মিডিয়ায় আরও সক্রিয় হতে মন্ত্রীদের বার্তা দেন মোদি স্বয়ং। ইনস্টাগ্রামের প্রতি বেশি জোর দিতে বলা হয়েছে। কিন্তু অন্যান্য মন্ত্রীরা কে কেমন নম্বর পেয়েছেন ওই রিপোর্ট কার্ডে, তা জানা নেই। তবে জেন জিকে কাছে টানতে সোশাল মিডিয়া যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র, সেটা উপলব্ধি করেছে পদ্ম শিবির।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *