ম্যাচ চলাকালীন মাথায় পাখির মলত্যাগ, স্টেডিয়ামে ঘুরছে বাঁদর! মুখ পুড়ল ইন্ডিয়া ওপেনের

ম্যাচ চলাকালীন মাথায় পাখির মলত্যাগ, স্টেডিয়ামে ঘুরছে বাঁদর! মুখ পুড়ল ইন্ডিয়া ওপেনের

রাজ্য/STATE
Spread the love


দূষণের অভিযোগ এনে নাম তুলে নিয়েছিলেন বিশ্বের তিন নম্বর তারকা। এবার ম্যাচ চলাকালীন গ্যালারিতে ঢুকে পড়ল বাঁদর! সবমিলিয়ে আজব কাণ্ডকারখানা ইন্ডিয়া ওপেন ব্যাডমিন্টনে। কোর্টে ম্যাচ চলছে আর সেই সময়ে গ্যালারিতে বাঁদর ঘুরছে, সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে নেটদুনিয়ায়। এমনকি অন্য দর্শকদের পাশে বসে খানিকক্ষণ ম্যাচও দেখে বাঁদরটি! প্রশ্ন উঠছে, কেন টুর্নামেন্ট ঘিরে এমন অব্যবস্থা?

আরও পড়ুন:

ঘটনাটি ঘটেছে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী স্টেডিয়ামে। ব্যাডমিন্টন অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ার দিকে আঙুল উঠেছে গোটা বিষয়টি নিয়ে। সংস্থার সেক্রেটারি সঞ্জয় মিশ্র বলেন, গত ২০ দিন ধরে স্টেডিয়ামে নজরদারি চলেছে। কোনওদিনই বাঁদর ঢুকে পড়ার মতো ঘটনা ঘটেনি। সম্ভবত স্টেডিয়ামের দরজা খোলা থাকার সুযোগ নিয়েই বাঁদরটি ঢুকে পড়েছে, কারণ স্টেডিয়ামের আশেপাশে প্রচুর গাছ রয়েছে। সঞ্জয়ের কথায়, “সমস্ত দরজা যেন বন্ধ রাখা হয় সেটা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।”

স্টেডিয়ামে বাঁদর ঘোরার ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন কোরিয়ার ডাবলস তারকা কাং মিন স্বয়ং। সেখান থেকেই বিষয়টি নিয়ে নেটদুনিয়ায় শুরু হয় হইচই। ব্যাডমিন্টন অ্যাসোসিয়েশনের তরফে সাফাই দেওয়া হলেও সমালোচনার ঝড় থামছে না। দিনকয়েক আগে অভিযোগ উঠেছিল, স্টেডিয়ামের মধ্যে দেদার পাখি উড়ে বেড়াচ্ছে। দর্শকাসন থেকে খেলার কোর্ট-যত্রতত্র মলত্যাগ করছে তারা। সেই বিতর্ক থামতে না থামতেই শুরু হল বাঁদর নিয়ে বিতর্ক।

আরও পড়ুন:

উল্লেখ্য, দিল্লির অস্বাস্থ্যকর এবং দূষিত পরিবেশ নিয়ে তোপ দেগেছিলেন বিশ্বের দু’নম্বর ব‌্যাডমিন্টন তারকা ডেনমার্কের মিয়া ব্লিকফেল্ট। দূষণের কারণে বিশ্বের ৩ নম্বর তারকা অ্যান্ডার্স অ্যান্টনসেন ইন্ডিয়া ওপেন থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমার মনে হয় ওখানে টুর্নামেন্ট আয়োজন না করাই উচিত। কারণ সেখানকার পরিবেশ খুবই অস্বাস্থ‌্যকর। দূষণও মাত্রাতিরিক্ত।” ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৪৫ লক্ষ টাকা জরিমানাও দিতে হয়েছে তারকাকে। প্রশ্ন উঠছে, বিশ্বমানের টুর্নামেন্টে কেন এই ধরনের অব্যবস্থা?

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *