দুই ভারত! এক ভারতের মাথার উপর ঘন মেঘরাজি, আরেকাংশের আকাশ খানিকটা পরিষ্কার। এভাবেই মেঘে মেঘে দ্বিধাবিভক্ত দেশ! শুনে অবাক লাগছে? কিন্তু আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় এটাই বাস্তব চিত্র। বর্ষার মরশুমে সম্প্রতি ইসরোর এক স্যাটেলাইট ছবিতে ধরা পড়েছে দেশের আকাশের দুই ছবি। যা দেখে থ আবহবিদরাও। উপগ্রহ চিত্রে দেখা যাচ্ছে, দেশের পূর্ব ও দক্ষিণাংশের আকাশ ছেয়ে রয়েছে ঘন কালো মেঘে। আর পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিমাংশের আকাশ বেশ খানিকটা পরিষ্কার। এই দুই পৃথক চিত্রেই স্পষ্ট, বর্ষার নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও দেশের অর্ধেক জায়গা থেকে এখনও তা বিদায় নেয়নি।
ইনস্যাট থ্রিডিএসের পাঠানো মেঘের ছবি বিশ্লেষণ করে বেশ অবাক ইসরোর বিজ্ঞানীরা। দেখা যাচ্ছে, বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন অঞ্চল একেবারে মেঘাচ্ছন্ন। মেঘের সেই উজ্জ্বলতা ছড়িয়ে রয়েছে পূর্ব ও দক্ষিণ পূর্বাংশের বেশ অনেকটা অঞ্চল জুড়ে। তারউপর দক্ষিণে সাগর সংলগ্ন এলাকায় অতিরিক্ত আরও একটি মেঘের স্তর রয়েছে।
আরও পড়ুন:
ইসরো সূত্রে খবর, শুক্রবার ইনস্যাট থ্রিডিএস নামে ভারতীয় বিজ্ঞানীদের পাঠানো কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে বেশ কিছু ছবি এসে পৌঁছেছে কন্ট্রোল রুমে। এই স্যাটেলাইটটি মূলত আবহাওয়া সংক্রান্ত খবরাখবরের জন্য উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। থার্মাল ইনফ্রারেডের মাধ্যমে তার পাঠানো ছবির দৃশ্যমানতা সাধারণ স্যাটেলাইটের চেয়ে ঢের বেশি। এমনকী রাতেও তা বেশ ভালোভাবে দেখা যায়। ইদানিং এই স্যাটেলাইটের ছবি আবহাওয়ার পূর্বাভাসের জন্য ব্যবহার করে থাকে মৌসম ভবন।
ইনস্যাট থ্রিডিএসের পাঠানো মেঘের ছবি বিশ্লেষণ করে বেশ অবাক ইসরোর বিজ্ঞানীরা। দেখা যাচ্ছে, বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন অঞ্চল একেবারে মেঘাচ্ছন্ন। মেঘের সেই উজ্জ্বলতা ছড়িয়ে রয়েছে পূর্ব ও দক্ষিণ পূর্বাংশের বেশ অনেকটা অঞ্চল জুড়ে। তারউপর দক্ষিণে সাগর সংলগ্ন এলাকায় অতিরিক্ত আরও একটি মেঘের স্তর রয়েছে। বিজ্ঞানীদের ব্যাখ্যা, দক্ষিণ ভারতে দু’বার বর্ষার মরশুম। সেখানে এখন ধীরে ধীরে বর্ষা বিদায় নিচ্ছে। তা সত্ত্বেও যে মেঘস্তর দেখা যাচ্ছে, তা মূলত নিম্নচাপ, বাতাসে অতিরিক্ত জলীয় বাষ্প থেকে তৈরি। এরই প্রভাবে ভরা শরতের মরশুমেও বৃষ্টি পিছু ছাড়ছে না।
পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিমাংশের আকাশ যে অনেকটা পরিষ্কার, তার কারণও সেই বায়ুমণ্ডলের গতিবিধি। ওদিকে নিম্নচাপ অথবা জলে ভারী মেঘ তৈরির মতো আবহাওয়া নেই। তাই ক্যালেন্ডারের নিয়ম মেনে দেশের এই প্রান্ত থেকে বিদায় নিয়েছে বর্ষা।
অন্যদিকে, পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিমাংশের আকাশ যে অনেকটা পরিষ্কার, তার কারণও সেই বায়ুমণ্ডলের গতিবিধি। ওদিকে নিম্নচাপ অথবা জলে ভারী মেঘ তৈরির মতো আবহাওয়া নেই। তাই ক্যালেন্ডারের নিয়ম মেনে দেশের এই প্রান্ত থেকে বিদায় নিয়েছে বর্ষা। মেঘও নেই। কিন্তু দেশের দু’প্রান্তে দু’রকম আকাশের ছবিটা বেশ বিরল। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, আবহাওয়ার খামখেয়াল এমন আরও অনেক ব্যতিক্রমী ছবিই তুলে ধরবে আগামী দিনে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
