পড়ুয়াদের পাতে মেরে হেডমাস্টারের পকেটে টাকা টাকা! দিনের পর দিন মিড ডে মিলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। দেগঙ্গার চৌরাশি হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক সাহারিয়া ইসলামের বিরুদ্ধে আগেই অভিযোগ দায়ের হয়। সেই অভিযোগের তদন্তে নেমে ৩ লক্ষ ৭১ হাজার ৪৬৪ টাকার হিসেবে গরমিল পাওয়া যায় বলে প্রশাসন সূত্রে জানা যায়। গরমিলের ওই টাকা মিড ডে মিলের অ্যাকাউন্টে ফেরত দিতে হবে বলে প্রধান শিক্ষককে নির্দেশ দেন দেগঙ্গার বিডিও। কিন্তু নির্দেশের প্রায় এক মাস কেটে গেলেও ওই টাকা জমা পড়েনি বলে অভিযোগ।
প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আরও একাধিক অভিযোগ রয়েছে। নিয়মিত স্কুলে না আসা নিয়ে অভিভাবকদের একাংশ সরব হয়েছিলেন। একই সঙ্গে মিড ডে মিল হিসেবেও গরমিলের অভিযোগ ওঠে। এনিয়ে স্কুলে একাধিকবার অভিভাবকরা বিক্ষোভও দেখান। শিক্ষামন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে অভিযোগ পৌঁছলে শিক্ষাদপ্তর তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্তে ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত মিড ডে মিলের খরচের হিসাব এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্টের লেনদেন মিলিয়ে দেখা হয়। তাতেই ৩ লক্ষ ৭১ হাজার ৪৬৪ টাকার ফারাক ধরা পড়েছে বলে খবর।
আরও পড়ুন:
গরমিল হওয়া টাকা ফেরতের নির্দেশ দিয়ে প্রধান শিক্ষককে চিঠি দেন বিডিও। অভিযোগ, নির্দেশের পরেও টাকা জমা করেননি অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক। জেলা প্রশাসনের এক কর্তা জানান, হিসাবের অসঙ্গতির ভিত্তিতেই টাকা ফেরতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিভাগীয় তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ হলে নিয়ম মেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এনিয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
