বাঁকুড়ায় ফের বড়সড় আন্দোলনের ডাক দিল ককরোচ জনতা পার্টি। মঙ্গলবার জেলাশাসকের দপ্তর ঘেরাও করতে চলেছেন ‘ককরোচ’ সমর্থকরা। দাবি একটাই। ইন্দাসের সিজেপি সমর্থক শেখ আবদুল হাফিজের মৃত বাবা শেখ মাফিকের স্মৃতিতে একটি স্কুল তৈরি করতে হবে। রাজ্য সরকার এই দাবি মেনে নিক, নইলে তাঁরা মঙ্গলবার বাঁকুড়া জেলাশাসকের দপ্তর ঘেরাও করবেন। সোশাল মিডিয়ায় এনিয়ে পোস্ট করেছেন শেখ আবদুল হাফিজ। সকলকে তাঁদের আন্দোলনে শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পিতৃহারা ছেলে। যদিও ‘আরশোলা’দের এই কর্মসূচি রুখতে তৎপর বাঁকুড়া জেলা পুলিশও। আশঙ্কা, জেলাশাসকের দপ্তর ঘেরাওয়ের নামে অযাচিত অশান্তি ডেকে আনতে পারে এই কর্মসূচি।
হাফিজ ও তাঁর পরিবারের দাবি ছিল, শেখ মাফিকের নামে একটি উচ্চমানের সরকারি স্কুল তৈরি হোক রাজ্যের যে কোনও প্রান্তে। এবার এনিয়ে বড়সড় আন্দোলনের পথে হাঁটছেন হাফিজ। বাবার নামে স্কুল তৈরির প্রতিশ্রুতি আদায় করতে চান তিনি। অন্যথায় মঙ্গলবার বাঁকুড়া জেলাশাসকের দপ্তর ঘেরাও করবেন ‘ককরোচ’ সমর্থকরা।
আরও পড়ুন:
আগস্টের গোড়ার দিকে নিট দুর্নীতির বিরুদ্ধে দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির অবস্থান বিক্ষোভকে সমর্থন জানিয়ে সেখানে গিয়েছিলেন বাঁকুড়ার যুবক শেখ আবদুল মাফিক। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাসদের সঙ্গে গলাও ফাটিয়েছেন, পুলিশের মারও খেতে হয়েছে। পরবর্তীতে দেশের সরকারি স্কুলগুলির পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে সিজেপির কর্মসূচিতে সরাসরি যোগ দেন হাফিজ। নিজের এলাকা অর্থাৎ বাঁকুড়ার ইন্দাসে একটি স্কুল পরিদর্শনে যান তিনি। অভিযোগ, হাফিজের এসব কাজকর্ম ভালোভাবে নেননি সেখানকার বিজেপি নেতারা। তার পরিবারের উপর আক্রমণ নেমে আসে। ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে মৃত্যু হয় বাবা শেখ মাফিকের। এনিয়ে আগস্টের মাঝামাঝি সময় বেশ উত্তপ্ত ছিল ইন্দাসের ওই গ্রাম। পিতৃহারা হাফিজের পাশে থাকতে দিল্লি থেকে এসেছিলেন আশুতোষ রাঙ্কা-সহ সিজেপি প্রতিনিধিরা।
হাফিজ ও তাঁর পরিবারের দাবি ছিল, শেখ মাফিকের নামে একটি উচ্চমানের সরকারি স্কুল তৈরি হোক রাজ্যের যে কোনও প্রান্তে। এবার এনিয়ে বড়সড় আন্দোলনের পথে হাঁটছেন হাফিজ। বাবার নামে স্কুল তৈরির প্রতিশ্রুতি আদায় করতে চান তিনি। অন্যথায় মঙ্গলবার বাঁকুড়া জেলাশাসকের দপ্তর ঘেরাও করবেন ‘ককরোচ’ সমর্থকরা। জেলার রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন, এভাবে ফের সক্রিয় হতে চাইছে ‘আরশোলা’র দল। কিন্তু কতটা সফল হবে, সেটাই প্রশ্ন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
