কনট প্লেসে শুক্রবারের ‘তেরঙা ওড়াও’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে সিজেপি। তার আগে বৃহস্পতিবার দিল্লি পুলিশ জনতার কাছে আর্জি জানাল, খুব বেশি সংখ্যায় সেখানে জমায়েত না করতে। সেই সঙ্গেই পুলিশ জানিয়েছে, কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কের কোনও ‘উপযুক্ত স্থানে’ ১১ জনের একটি দলকে জাতীয় পতাকা বহন ও জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া যেতে পারে।
বলে রাখা ভালো, ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিবাদ হলে গোটা দিল্লি অবরুদ্ধ হয়ে পড়বে, পথের ধারে দোকানিদের ব্যবসা লাটে উঠবে। উৎসবের মরশুমে এমনটা হলে প্রবল সমস্যা হবে। এই মর্মে দিল্লি হাই কোর্টে আবেদন করেছিলেন অনিল কুমার গুপ্তা নামে এক ব্যক্তি। তাঁর দাবি ছিল, ককরোচদের প্রতিবাদ কর্মসূচি বাতিল করুক আদালত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দিল্লি হাই কোর্ট জানিয়েছে, প্রতিবাদের অধিকার রয়েছে সকলের তাই কর্মসূচি বাতিল হবে না। ভিড় নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দিল্লি পুলিশকে। এর কয়েক ঘণ্টা পরই সামনে এল পুলিশের এই প্রস্তাব।
আরও পড়ুন:
এদিন পুলিশ সাধারণ জনগণের কাছে এই জমায়েতে অংশ না নেওয়ার আবেদন জানানোর পাশাপাশি জানিয়েছে, কনট প্লেস ও তার সংলগ্ন এলাকায় ‘ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা’-র ১৬৩ ধারার অধীনে নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই আইন লঙ্ঘন করলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার পুলিশি নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে ব্যারিকেড টপকে যন্তর মন্তরে ঢুকে পড়েন ককরোচ পার্টির দুই শীর্ষ নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস। এই দু’জনকে ৫ দিনের জেল হেফাজত দিয়েছে আদালত। এই ঘটনায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন অভিজিৎ। তাঁর কথায়, ককরোচ নেতারা কোনও অন্যায় করেননি। তাঁরা জাতীয় পতাকা উড়িয়েছেন। এক্স হ্যান্ডেলে দীপকে লিখেছেন, ‘দোষ শুধু তেরঙ্গা ওড়ানো। হিম্মত থাকলে মোদিজি, এমার্জেন্সি ঘোষণা করুন।’
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
