প্রাণীর সংখ্যা বেড়েছে। এবার খাদ্যভাণ্ডার ও বাড়ছে ডুয়ার্সের মরাঘাটের জঙ্গলে। মরাঘাট রেঞ্জের খুট্টিমারি ও সোনাখালির জঙ্গলের দশ হেক্টর এলাকা জুড়ে ঘাস ও তৃণভোজীদের পছন্দের ফলের গাছ লাগানো হবে বলে বনদপ্তর জানিয়েছে। জুন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে শুরু হচ্ছে রোপণ প্রক্রিয়া। তাতে পুজোর আগেই ঘাস জমি তৈরির প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাবে বলে মনে করছে বনদপ্তর।
ডুয়ার্সের হাতিদের অন্যতম পছন্দের ঠিকানা মরাঘাটের জঙ্গল। শাল গাছের জঙ্গল হিসেবে আলাদা করে পরিচিতি রয়েছে মরাঘাটের। হাতি ছাড়াও রয়েছে হরিণ ও বাইসন।
বন দপ্তরের দাবি, একশোর বেশি হাতি সব সময় উপস্থিত থাকে এই জঙ্গলে। ফলে প্রচুর পরিমানে সবুজ খাবারের প্রয়োজন। সেই কারণে দশ হেক্টর জমিতে ঘাস ও ফলের গাছ লাগানোর পরিকল্পনা কার্যকর করতে চলেছে বনদপ্তর।
আরও পড়ুন:
মরাঘাট রেঞ্জের রেঞ্জ অফিসার চন্দন ভট্টাচার্য জানান, “সোনাখালি ও খুট্টিমারির জঙ্গলে ইতিমধ্যেই জমি চিহ্নিত করা হয়েছে। বর্ষার এই মরশুমকে কাজে লাগিয়ে জুন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই কাজ শুরু করা হবে।” পাশাপাশি গরুমারা জাতীয় উদ্যানেও তৃণভোজী প্রাণীদের খাদ্যে ভাণ্ডার বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
হাতি, বাইসন, হরিণদের পছন্দের ঘাসের পাশাপাশি গণ্ডারদের পছন্দের খাবার ঢাড্ডা, মালসা ও চেপটি ঘাস রোপনের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। জাতীয় উদ্যানের মেদলা, খুনিয়া, ধূপঝোড়া-সহ বিভিন্ন এলাকায় তৈরি করা হবে এই খাদ্য ভাণ্ডার। গরুমারা বন্যপ্রাণী বিভাগের সহকারী বনাধিকারিক রাজীব দে জানিয়েছেন, “ইতিমধ্যেই কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
