মাস তিনেক আগেই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে চিনের ইউনান মাতিয়েছিল বাঙালিরা। এবার চিনের পালা। নৃত্য আর গানের অনুষ্ঠানে কলকাতার মঞ্চ ভরিয়ে তুললেন চিনের ইউনান থেকে আসা আটজন শিল্পী। আবার কলকাতার নৃত্যশিল্পীরা নাচের মাধ্যমে তুলে ধরলেন ‘বন্দে মাতরম’। তুলে ধরা হল দুর্গাবন্দনাও।

আরও পড়ুন:
শনিবার নিউ টাউনে এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধনে কলকাতার চিনা কনসাল জেনারেল শ্যু ওয়েই জানান, ৬ বছর পর ফের চিন থেকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করতে এলেন শিল্পীরা। সংস্কৃতির মাধ্যমেই মেলবন্ধন হল দু’দেশের। আরও কাছাকাছি এলেন ভারত ও চিনের শিল্পীরা। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউনানের দক্ষিণ এশিয়া ডিভিশন, পররাষ্ট্র দপ্তরের অধিকর্তা ওয়াং লিং। তিনি জানান, ইউনান আর্টস ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীরা কলকাতায় অনুষ্ঠান করতে এসেছেন। শিল্প কোনও সীমান্ত মানে না। সঙ্গীত ও নৃত্য বিশ্বের এমন ভাষা, যা সরাসরি আত্মার সঙ্গে কথা বলে। ইউনান আরও ভারতীয় অতিথির জন্য অপেক্ষায়মান।

শনিবার সন্ধ্যায় কলকাতা দেখল ইউনানের মঙ্গোলিয়ান, উইঘুর, তাই, ই-র মতো সম্প্রদায়ের নাচ ও গান, যা শুধু চিনের ইউনানেই দেখা যায়। ছিল ইউনান প্রদেশের লোকগীতি ও লোকনৃত্য। আবার কলকাতার শিল্পীরাও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিন যাত্রা উপলক্ষে্য নৃত্যগীতের আয়োজন করেন। ‘নৈবেদ্য’-র মাধ্যমে দেশমাতৃকা ও মা দুর্গার বন্দনা করে শিল্পী অনুরাধা মজুমদার ও অর্ণব বন্দে্যাপাধ্যায়ের টিম। রবিবার সল্টলেকে খাদ্য উৎসবের আয়োজন করে কলকাতার চিনা দূতাবাস। চিন থেকে আসা ‘শেফ’রা অতিথিদের হাতে তুলে দেন রকমারি চিনের খাবার। এখানেও উপস্থিত ছিলেন ইউনানের শিল্পীরা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
