মার্কিন মুলুকে কর্মরত ভারতীয়দের বিপদ বাড়াল ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন! জানা গিয়েছে, এইচ ১বি ভিসায় অনিয়ম সংক্রান্ত বহু অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে একসঙ্গে। প্রাথমিকভাবে সেই তদন্তে উঠে আসছে মার্কিন তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা কগনিজ্যান্টের নাম। বহু ভারতীয় এই সংস্থার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। মার্কিন মুলুকে কগনিজ্যান্টের নানা দপ্তরে অন্তত ২৭ হাজার ভারতীয় কাজ করেন বলে অনুমান। এবার তাঁদের বিপদ বাড়াতে পারে ট্রম্প প্রশাসন।
মার্কিন শ্রম দপ্তেরের আধিকারিক অ্যান্থনি ডি’এসপোসিতো জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই এইচ ১বি ভিসায় অনিয়মের অভিযোগে ডজনখানেক সমন পাঠানো হয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, আমেরিকার একাধিক বিখ্যাত সংস্থা বেআইনিভাবে এইচ ১বি ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। তার মধ্যেই অন্যতম কগনিজ্যান্ট। যদিও এই সংস্থাটিকে এখনই দোষী বলে ধরছে না ট্রাম্প প্রশাসন। তবে তদন্তকারীদের নজরে রয়েছে এই সংস্থাগুলি। অ্যান্থনির মতে, ভিসায় অনিয়মের ফলেই মার্কিন মুলুকে বাড়ছে অপরাধীর সংখ্যা।
আরও পড়ুন:
দেশকে অপরাধমুক্ত করার লক্ষ্যে এইচ ১বি ভিসায় কোপ বসানোর পরিকল্পনা বহুদিন থেকেই করেছেন ট্রাম্প। গত বছরের সেপ্টেম্বরে একধাক্কায় H1B ভিসার দাম ১ লক্ষ ডলার করে দেন। যা ভারতীয় অঙ্কে দাঁড়ায় ৯৫ লক্ষ টাকারও বেশি! তবে সম্প্রতি সেই ফি বাতিল করে দিয়েছে মার্কিন আদালত। এই ধরনের ফি আসলে কর। যা লাগু করতে গেলে মার্কিন কংগ্রেসের অনুমতি প্রয়োজন। ট্রাম্প তা নেননি। আইনি এক্তিয়ার ছাড়াই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ফলে এই ফি বাতিল করা হল বলে আদালত জানিয়ে দিয়েছে ৪২ পাতার রায়ে।
উল্লেখ্য, আমেরিকায় গিয়ে কাজ করার দিক দিয়ে বিচার করলে এই বিশেষ শ্রেণির ভিসাটি ভারতীয়দের মধ্যে খুবই জনপ্রিয়। এইচ- ওয়ানবি ভিসা-র নিয়ম মেনেই বহু বছর ধরে আমেরিকার নামী সংস্থাগুলি বহু বছর ধরে বিদেশি নাগরিক তথা দক্ষ শ্রমিক ও প্রযুক্তিবিদদের নিজেদের দেশে নিয়ে এসে নানা প্রোজেক্টের কাজ করেছে। তাই এবার আর ফি বসানো নয়, এইচ ১বি ভিসায় অনিয়ম ধরছে মার্কিন প্রশাসন। তবে কারা সমন পেয়েছে, কারাই বা অভিযুক্ত-সেই নিয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
